[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



সকলের সহযোগীতায় সন্তুষ্ট প্রথম নারী ভিসি


প্রকাশিত: March 2, 2015 , 7:25 pm | বিভাগ: ইন্টারভিউ


সানাউল্লাহ মাহী, জাবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ফারজানা ইসলাম। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম নারী ভিসি তিনি। ২০১৪ সালের ২ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক চার বছরের জন্য তিনি এই দায়িত্ব পান।

তিনি দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত বড় ধরণের অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। প্রশাসনিক বিভিন্ন পদসহ অন্যান্য স্তরগুলোতে অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থা থাকায় মিলে মিশে আছেন বিএনপি পন্থি ও আওয়ামীপন্থি শিক্ষকগণ।

তিনি এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ‘ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম’কে তার দায়িত্বরত এক বছরের বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্য করেন।

তিনি দায়িত্বগ্রহনের পর থেকে দু’টি ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি দেশের সবচেয়ে বড় সমাবর্তনটিও সম্পন্ন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

এপর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগে তিনি ৫৫ থেক ৬০ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। এসব নিয়োগের বেশ কয়েকটি নিয়ে ব্যপক সমালোচিত হলেও তিনি সঠিক নিয়োগ দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেন।

তবে ৩য়-৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে কিছুটা মানগত সমস্যা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সামনের দিনগুলোতে এসব নিয়োগের ক্ষেত্রেও তিনি নজর দিবেন বলে এ প্রতিবেদকের কাছে আশা প্রকাশ করেন।

পাবলিক হেলথ বিভাগ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, নতুন কলা ভবন ও কলতান বিদ্যা নিকেতনসহ বেশ কিছু ভবনের সম্প্রসারিত নির্মাণ কাজ হয়েছে এ সময়ে। তবে এ নির্মাণ অর্থ আগের প্রশাসন এনেছে বলে তিনি জানান। এপর্যন্ত তিনি নতুন কোন অর্থও সরকারের কাছ থেকে আনতে পারেননি বলে অকপটে স্বীকার করেন। এসব আনিত কাজগুলো শেষ হলেও নতুন অর্থ আনতে পারবেন বলে জানান।

গত এক বছরে যে সকল শিক্ষার্থীকে তার প্রশাসন বহিষ্কার করেছিল তা ক্যাম্পাসের স্বার্থেই করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার দায়িত্বকালীন সময়েই একজন প্রফেসরকেও বিশৃংখলা করার অভিযোগ পদচ্যুত করা হয়।

তার প্রতিটি কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যথেষ্ট সহযোগীতা করেছে বলে তিনি সকলকে অভিনন্দন জানান। তবে বেশ কিছু ক্ষেত্রে সহযোগীতায় ঘাটতি ছিল বলেও তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে পোষ্য কোটায় গ্রেস মার্কের (অতিরিক্ত নাম্বার) দাবীতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে আন্দোলন করেছিল তাতে নীতিগত সিদ্ধান্ত দেননি তিনি ও তার প্রশাসন। এ গ্রেস মার্কের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তাতে তিনি সহমত পোষণ করেন।

এছাড়াও বিশ্ববদ্যালয়ের নিয়মিত আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনসহ অন্যান্য কাজগুলো যথাসময়ে করার চেষ্টা করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে দেশের অন্যান্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় জাবি যথেষ্ট সচল আছে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অধিকাংশ বিভাগেই ফাইনাল পরীক্ষাগুলো চলছে বলে তিনি জানান। প্রতিটি বিভাগকেই যথাসময়ে ক্লাশ-পরীক্ষা শেষ করার জন্য তিনি তাগিদ দিচ্ছেন বলে সাক্ষাতকারে উল্লেখ করেন।

জাবি// এসএম, ২ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//আরজে