[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



জলের-স্থলের যত আজব প্রাণী…


প্রকাশিত: April 5, 2015 , 8:01 pm | বিভাগ: অসাম নিউজ


Blob-Fishইন্টারন্যাশনাল লাইভ : বিশ্ব চরাচরে বিচরণকারী অনেক প্রাণী সম্পর্কেই নেই আমাদের ধারণা।  জলের তলে তো অন্য জগৎ। তার অনেকটুকুই আমাদের অজানা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমাদের আশপাশের এই জগতে বিচরণ করে নানা প্রাণী। অনেক প্রাণীর কেবল গল্পই আমরা শুনেছি। তবে গল্পের জগৎ থেকে যখন তারা সামনে চলে আসে তখন সত্যিই অন্যরকম এক অনুভূতির জন্ম দেয়।

জলের তলের ও বিশ্ব চরাচরে অবস্থানকারী তেমনি কিছু অদ্ভূত প্রাণী নিয়ে আজকের আয়োজন:

Pangolinপাংগোলিন: আফ্রিকা এবং এশিয়ার ক্রান্তীয় অঞ্চল জুড়ে এই প্রাণীর আবাস। তবে এদের সচরাচর দেখতে পাওয়া যায় না। স্থানীয়দের মতে, এদের মাংস খুবই সুস্বাদু এবং ঔসধিগুন সম্পন্ন। প্রাণীটি নিজেদের অনিরাপদ মনে করলে নিজেদের বলের মত গুঁটিয়ে নেয় এবং দুর্গন্ধ ছড়ায়।

পাংগোলিনরা খাবারের জন্যে শ্রবণশক্তি ও ঘ্রাণের উপর নির্ভর করে পোকামাকড় শিকার করে।


Proboscis-Monkeyপ্রবোসিস মাংকি:
নাকের গঠন দ্বারা এদের আলাদা করা যায়। স্ত্রী বানরের নাক ছোট হলেও পুরুষ বানরের নাক অনেক বড়। কারণ এই নাকই যে বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করার অস্ত্র।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও বর্নিও এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ কবলিত স্থানে হাতিশুঁড় বানর পাওয়া যায়। এরা কাঁচা ফল ও পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে।

Dumbo-Octopusডাম্ব অক্টোপাস: জলের তলের এই প্রাণী পানিতে ভাসার জন্যে নিজেদের হাতির কানের মতো বড় পাখনা ব্যবহার করে। এদের খুব কম দেখা যায়। কারণ তারা ৪০০ থেকে ৪ হাজার ৮শ’ মিটার গভীর জলে বাস করে।

Tasmanian-Giant-Freshwater-জায়ান্ট ফ্রেশওয়াটার ক্রেফিশ: চিংড়ী হরেক রকম থাকলেও অস্ট্রেলিয়া উপকূলের তাসমানিয়া দ্বীপ অঞ্চলে পাওয়া যায় দৈত্যাকার চিংড়ী। বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির এই অমেরুদণ্ডী প্রাণীটি নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশ পূণ:নির্মাণ করতে পারে।

তাসমানিয়া দৈত্য স্বাদু পানির এই বাগদা চিংড়ি ৫ কেজি বা ১১ পাউন্ড এবং ৩১ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত এরা বেঁচে থাকে। মাছ ধরা এবং বাসস্থান ক্ষতির কারণে দুর্ভাগ্যবশত এটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

Water-Deerওয়াটার ডিয়ার: ভ্যাম্পায়দের মতো দীর্ঘ দাঁতের অধিকারী এই হরিণটি মুভিতে বা ফটোশপে করা হয়নি। বাস্তবেই এদের অস্তিত্ব রয়েছে।

এই বিশেষ প্রজাতির হরিণ ‘জল হরিণ’ হিসাবে পরিচিত। বাইরে বের হয়ে থাকা দাঁতগুলো এরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। জল হরিণ চীন ও কোরিয়ার কিছু অঞ্চল, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, এবং আর্জেন্টিনায় দেখতে পাওয়া যায়।

Blob-Fishববফিশ:
অস্ট্রেলিয়ান জলের ৬শ থেকে ১২শ’ মিটার গভীরে এই মাছ দেখতে পাওয়া যায়। অনেক প্রচেষ্টা ছাড়া জলের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এরা ভাসতে পারে না। জলের বাইরে এদের দেখতে কুৎসিত লাগে। এদের শিকারি দক্ষতার অভাব রয়েছে।

Scorpionflyস্করপিওন ফ্লাই: একটি বিছার চেয়ে এটি দেখতে খারাপ কি? এদের বিছার মত দংশনের লেজ থাকলেও এরা তা দিয়ে দংশন করে না। পুরুষ স্করপিওন ফ্লাই এই লেজ যৌন ক্রিয়ায় ব্যবহার করে। ম্যাকপটেরা পর্বের এই প্রাণী আদ্র পরিবেশে গাছপালার পাতা ভোজন করে। এরা বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Penis-Snakeপেনিস স্নেক: নামে স্নেক হলেও আসলে এই প্রাণীটি সাপ নয়। পুরুষদের লিঙ্গ বলে অনেকে ভুলও করতে পারেন। দক্ষিণ আমেরিকার নদী যখন কিছু অংশ প্লাবিত হয়, তখন সম্প্রতি ২০১১ সালে প্রথম এই উভচর প্রাণীর দেখা মেলে।

ছোট এই প্রাণীটি কতোটা কুৎসিত ও গোলমেলে মনে হবে তা নির্ভর করবে আপনার অনুভূতির উপর বা আপনি কীভাবে দেখছেন এই প্রাণীটিকে। ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের সাহায্যে পরিচালিত এই প্রাণীটির সম্পর্কে তথ্যের অভাব রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এই প্রাণীকে ‘ডাটা ডেফিসিয়েন্ট’ এর শ্রেণীভুক্ত বলে ধারণা করে। লিঙ্গ সর্পের বৈজ্ঞানিক নাম Atretochoana eiselti।

ঢাকা// এইচকে, ৫ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// টিটি