[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



ডিএনএ পরিবর্তনকৃত ৭টি খাবার…


প্রকাশিত: June 23, 2015 , 12:46 pm | বিভাগ: আপডেট,ফিচার


food-live

লাইভ প্রতিবেদক : অাপনি কি জানেন এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগেলোর জিন বা ডিএনএ পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন তো। বৈশিষ্ট্যও  বংশগতির পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যাপারটা শুনতে হয়তো আপনার কাছে সায়েন্স ফিকশনের কোন গল্পের মতো মনে হচ্ছে।

বাড়িয়ে বলছি না। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড ফুড ( Genetically modified food) আমাদের খাদ্যের তালিকাতেই আছে।

চলুন জেনে নেই এমনই কিছু খাবারের কথা যা জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড…

rice

১. ধান: ধান মানে চাল এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রধান খাদ্য। এই ধানে জেনেটিক্যালি মোডিফাইড করে এমন এক ধরণের পরিবর্তন আনা হয়েছে যা ডিএনএ প্রভাবিত হতে পারে। সম্প্রতি ফিলিপাইনে আরেক ধরনের জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড চালের গবেষণা সফল হয়েছে, যা এতই শক্তিশালী যে বন্যার পানি প্রতিরোধ করতে পারে !

cotton

২. তুলা: তুলাও খাওয়া যায়! হ্যাঁ পাঠক, ২০০৬ সালে তাই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির সাথে কটন ইনকর্পোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান মিলে শুরু করে তুলাকে ভোজ্য করে তোলার কাজ। এজন্য প্রধান বাধা ছিল তুলার বীজে থাকা গসিপল ( Gossypol ) নামে একটি উপাদান, যা পোকামাকড়কে তুলা থেকে দূরে রাখে।

দীর্ঘ গবেষণার পর যে খাওয়ার যোগ্য তুলা পাওয়া গেছে, তার স্বাদ অনেকটা বাদামের মতো !

soyabin
৩. সয়াবিন: যুক্তরাষ্ট্রে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৯০ শতাংশ জিন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে উৎপাদিত হয়। বলা যায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড খাদ্য হচ্ছে সয়াবিন। পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে সয়াবিন রক্ষা করার জন্যই মূলত এর জিনে পরিবর্তন আনা হয়।

pepe

৪. পেঁপেঁ: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং আর উদ্ভিদ গবেষক ডেনিস গঞ্জালভেস( Dennis Gonsalves ) না থাকলে বিশ্বে এখন পেঁপেঁর রীতিমতো অভাব থাকতো। বর্তমানে বিশ্বে উৎপাদিত মোট পেঁপেঁর চার ভাগের তিনভাগই জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড।

yeast-allergy1

৫. ইস্ট: ইস্ট আসলে এক ধরণের ছত্রাক, যাকে বিশেষ ভাবে খাবারে ব্যবহারের উপযোগী করা হয়। কেকের ফেঁপে ওঠা ও স্পঞ্জের মতো নরম করার কৃতিত্ব ইস্টের।

স্যানফ্রান্সিসকোর এলএস ৯ নামে একটি কোম্পানি ইস্টের ডিএনএতে এমনই পরিবর্তন এনেছে যে এটি ফসলের মতো মাঠে চাষ করা যাবে!

milk
৬. দুধ: সবচেয়ে বিতর্কিত জেনেটিক্যালি মোডিয়ফায়েড ফুডের মধ্যে অন্যতম দুধ। গরুর দুধ দেওয়ার পরিমাণ বাড়ানোর জন্য আরবিজিএইচ (rBGH) বা রিকম্বিনেন্ট বোভিন গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করা হয়। দুধ উৎপাদনকারী কোষগুলোকে এটি  বাধ্য করে কম সময়ে বেশি দুধ দেওয়ার জন্য। দুধের উৎপাদন ১৫ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব এভাবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাঁচটি গরুর একটির জিনে এ পরিবর্তন আনা হয়।

sugerbit

৭. বিটরুট: বিটরুট দেখতে ও স্বাদের দিক দিয়ে অনেকটাই মূলার মতো। এই খাবারের জিনে পরিবর্তন এনে স্বাদ থেকে শুরু করে উৎপাদন পদ্ধতি সবই বদলে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।

যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত চিনির অন্যতম উপাদান মিষ্টি বিটরুট। সাধারণ বিটরুটের জিন বদলে সেখানে মিষ্টি বিটরুট করা হচ্ছে। বিটরুট ক্ষেতে গ্লাইফোসেট (Glyphosate) নামে এক ধরনের আগাছা হয়। ওই আগাছার জিন সরিয়ে ফেলায় একই জায়গায় বেশি ফলন হচ্ছে।

ঢাকা, ২৩ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন