[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



বেরোবিতে বাংলা বিভাগের প্রধান ড. সাইদুল


প্রকাশিত: August 13, 2015 , 10:14 pm | বিভাগ: আপডেট,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,প্রফেশন,রংপুরের ক্যাম্পাস


বেরোবি লাইভ: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বিভাগের  প্রফেসর ড. সাইদুল হক শিমুল বিশ্বাসকে আগামী ৩ বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিভাগীয় অফিসে পাঠানো রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

১২ আগস্ট থেকে এ নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

ইতোমধ্যে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করে বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে তিনি আজ জানিয়েছেন।

আগামী ১৬ আগস্ট রোববার বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারির পক্ষ থেকে তাকে গ্রহণ করতে ভিন্ন আয়োজন হবে বলেও জানা গেছে। সাথে সাথে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হবে বর্তমান বিভাগীয় প্রধান ড. নাজমুল হককে।

পরিচিতি: ড. সাইদুল হক শিমুল বিশ্বাস বহু গুণে গুণান্বিত একজন মানুষ। তিনি ১৯৬৭ সালের ৩ মে সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিএ অনার্স এবং এমএ পাস করেন।

১৯৯৩ সালে ১৪তম বিসিএসের মাধ্যমে লেকচারার হিসেবে রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগে যোগ দেন। ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কামশনের (ইউজিসি) ফেলো হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নজরুল সাহিত্যে পৌরাণিক প্রসঙ্গে গবেষণায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

সবশেষে তিনি ২০১০ সালের আগস্ট মাসে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এক সময় বেরোবি জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের দায়িত্বেও ছিলেন।

প্রবন্ধকার ও গবেষক শিমুল মাহমুদ কবি হিসেবেও পরিচিত। এতোসবের মধ্যে কথাসাহিত্যিক হিসেবেও তাঁর অবস্থান দৃঢ় রয়েছে। এই গুণী মানুষের বিভিন্ন কবিতা, সাহিত্য, উপন্যাস রচিত হয়েছে।

তাঁর রচিত কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে-মস্তিষ্কে দিনরাত্রি(১৯৯০) সাদা ঘোড়ার (১৯৯৮) প্রাকৃত ঈশ্বর(২০০০) আবহাওয়াবিদগণ জানেন (২০১২) উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া আমরা  সকলেই অপরাধী (২০০৮) ইলিশ গাড়ি ও অন্যান্য গল্প (১৯৯৯) তাঁর অন্যতম ছোট গল্প। উপন্যাস হিসেবে তাঁর উল্লেখযোগ্য কীর্তি হচ্ছে শীলবাড়ির চিরায়ত কাহিনী (২০০৭) এবং রমিতাজীবন প্রথম সভা (২০১২)।

তিনি একাধারে প্রবন্ধকারও বটে। তাঁর লিখিত প্রবন্ধের মধ্যে রয়েছে কবিতা শিল্পের জটিলতা (২০০৭) নজরুল সাহিত্যে পুরাণ প্রসঙ্গে (২০০৯) জীবনানন্দ দাস: মিথ ও সমকাল । ‘কারুজ’ তাঁর বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা।

তিনি ২০১৪ সালে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সদস্য হিসেবে বেরোবির শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

বিভাগের নতুন দায়িত্বে সম্পর্কে তাঁর অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, আমি ১২ আগস্ট দায়িত্ব নিয়েছি এবং বিভাগীয় কার্যক্রমও চালাচ্ছি। আমি আশা করি, প্রশাসনিক ভবনের সকলেই আমাকে সহযোগিতা করবে। সাথে সাথে আমার সহপাঠিরাও সহযোগিতা করবে বলে আশা পোষণ করি।

তিনি বলেন, আমার দায়িত্ব নেয়ার পর বিভাগের সকলেই খুশি হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, নতুন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বিভাগের সেশনজট নিরসন, সময়মত ফলাফল প্রকাশ করাসহ অন্যান্য সমস্যা দূর করতে ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছি। এখন থেকে বিভাগের সকল কার্যক্রম তৈরি করা একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

বেরোবি// এসআরএস, ১৩ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এইচএস