[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



সমুদ্রজলে পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস


প্রকাশিত: August 28, 2015 , 8:52 pm | বিভাগ: ট্যুরিজম এন্ড এনভায়রনমেন্ট,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,ফিচার,বরিশালের ক্যাম্পাস


pstu kuakata 2মোস্তাফিজুর রহমান পাপ্পু, পবিপ্রবি থেকে: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। সিমাহীন সাগরের এক প্রাণ্ত। সৈকতে দাঁড়ালেই মন ছুটে যায় লোনাজলের গভীরে। ভেতরে জাগে শিহরণ। কে না চায় একটু নিজেকে ভেজাতে? বলছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ছাত্রী আনিতা অনি।

অনি বলেন, সমুদ্রের লোনাজলই যেন সবাইকে টেনে নিয়ে যায় তার মৃদু স্পর্সের কাছে। এর বিকট গর্জন। মনের ভেতর সৃষ্টি করে অপ্রকাশ্য ভালো লাগার আন্দোলন। তাইতো বার বার মন চায় তার ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে বেড়াতে। ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয় তার রং মেশানো লোনাজল।

অনি শুধু এক নয়। ভালো লাগার এমন শিহরণ পেতে পবিপ্রবি এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী মেতেছেন সাগর জলে। পবিপ্রবির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রংধনুর সদস্য তারা সবাই। রংধনুর আয়োজনেই তাদের মনে রঙ লাগানো এ আনন্দ ভ্রমন।
pstu-kuakata
ছোটবেলায় অনেকেই সমুদের গর্জনের শব্দ বই-পুস্তকে পড়েছেন। গল্প শুনেছেন বড়দের মুখে। কিন্তু বাস্তবে সমুদ্র দেখা কিংবা তার জলে গা ভেজানোর সৌভাগ্য হয়নি অনেকেরই। তাই এ ভ্রমনের আনন্দ তরুণ-তরুণীদের একটু বেশিই উদ্দীপনা যোগিয়েছে। সমুদ্রের তীরে দাড়িয়ে আবেগ আপ্লুত আর আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন কেউ কেউ। সাগর জলে নিজেদের দিয়েছেন ভাসিয়ে।

শুক্রবার ভোর বেলা কুয়াকাটা পৌঁছেন রংধনুর সদস্যরা। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, কুয়াকাটা সমুদ্রের জলে গোসল করেছি সবাই মিলে। অনেক আনন্দ পেয়েছি। বন্ধুদের সঙ্গে এ ভ্রমন সত্যিও অসাধারণ ভালো লাগার স্মৃতি।

তিনি জানান, কুয়াকাটা পৌঁছেই হোটেলে ব্যাগ রেখে সবাই নেমে পড়েন সাগরের নীল পানিতে। হৈ-হুল্লোড়, মাতামাতি, সাঁতার কাটা, ঝিনুক কুড়ানো কোনো কিছুই বাদ যায়নি।

২য় বর্ষের ডক্টর অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিগ্রির ছাত্র আরিফ বলেন, “অসাধারণ প্রতিটি ছাত্রছাত্রী আনন্দ করেছে। আর শিক্ষকরাও আমাদের সঙ্গে অনেক মজা করেছেন।”
rangdhanu
একই অনুষদের ৩য় বর্ষের ছাত্রী সাবরিনা মিতু ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, একসাথে ঘোরা, ছবি তোলা, সমুদ্রে সাঁতার কাটা সবই ছিল খুব উপভোগ্য। আমরা চাই এমন আনন্দ আয়োজন যেন বার বার করা হয়। যাতে আমাদের জ্ঞানের পরিধি বারে এবং আমরা নতুন নতুন জায়গা সম্পর্ক জানতে পারি।

আনিতা অনি ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, সমুদ্র তীরে বন্ধুদের সঙ্গে সেলফি তুলেছি, বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছি, দারুন মজা করেছি সবাই মিলে।

এবিএম জোনায়েতুর রহমান বলেন, সমুদ্র স্নান করার পর বিকেলে বৌদ্ধ মন্দির, ঝাউতলা, গংগামতির চর, কাউচার চর, ভাতরার চর, শুটকি পল্লী, রাখাইন মার্কেটসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখলাম। সবকিছুই ভালো লেগেছে।

৩য় বর্ষের ছাত্র পার্থ ব্যানার্জী ক্যাম্পাসলােইভকে জানান, ভ্রমন সত্যিই মানুষকে জ্ঞানের পরিপুর্ণতা দেয়। মজা তো আছেই। সুযোগ পেলে নতুন নতুন জয়গায় ভ্রমনে  যাওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের।

তিনি বলেন, কুয়াকাটায় ভ্রমনে যে, আনন্দ পেয়েছি এবং যা দেখলাম- তা স্মৃতিপটে থাকবে চীরদিন।

পবিপ্রবি//২৮ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এইচএস