[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



জ্যোতির্বিজ্ঞানের ধারণা পাল্টে দিয়েছেন আমাদের বিজ্ঞানী!


প্রকাশিত: January 14, 2016 , 12:46 pm | বিভাগ: আপডেট,এক্সক্লুসিভ,রিসার্চ


chayapoth-live

সাইফুর রহমান তুহিন : সূর্যের চেয়েও দেড়শ গুন বড় ৫টি সুপারস্টার আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আমাদের বিজ্ঞানী রুবাব খান। নাসার বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীদের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এনিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন আলোচনা চলছে। এর মধ্য দিয়ে জোতির্বিজ্ঞানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সূর্যের চেয়ে ৫০ লাখ গুণ বেশি উজ্জ্বল এ নক্ষত্র।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বার্ষিক সভায় পুরো বিশ্বকে চমকে দেওয়ার মতো জোতিবিজ্ঞানে নতুন ঘোষণা দেন মাত্র ২৯ বছর বয়সী  জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. রুবাব খান। রাজধানীর ঢাকার উদয়ন স্কুল থেকে এসএসসি ও নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন রুবাব খান।

২০০৪ সালে তিনি জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যার ওপর পড়াশোনার জন্য কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে বৃত্তি লাভ করেন। ২০০৮ সালে সেখানে তিনি গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সম্পন্ন করেন পিএইচডি ডিগ্রি। এখন তিনি নাসা গোডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ফেলো।

দুটি সুপারস্টার মিলে ইটা কারিনা সৌরমণ্ডল গঠিত। বড় তারকাটি সূর্যের চেয়ে এক থেকে দেড়শ’ গুণ বড়, আর তার ছোট সহচরটি সূর্যের চেয়ে ৩০ গুণ বড়। ছোটটি আবিষ্কৃত হয় ২০০৫ সালে। এ পর্যন্ত এই দুটি সুপারস্টার মিলিত শক্তি সম্পর্কেই ধারণা ছিল মানুষের। তবে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী রুবাব খান ও তার দল পুরো ধারণাই পাল্টে দিয়েছেন। নাসার গোডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে গবেষণার পর অভিনব তথ্য পান তারা। পৃথিবী থেকে দেড় কোটি থেকে দুই কোটি ৬০ লাখ আলোকবর্ষ দূরত্বের মধ্যে ইটা কারিনার কাছাকাছি আকার ও শক্তির আরও অন্তত পাঁচটি সুপার স্টার রয়েছে। নতুন নক্ষত্রগুলোকে ‘ইটার জমজ’ হিসেবেই পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন রুবাব ও তার দল।

নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ও স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই মহাতারকাগুলোর খোঁজ পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ইনসাইড সায়েন্সকে নতুন এ আবিষ্কার সম্পর্কে ড. রুবাব খান বলেছেন, ‘প্রথমে আশা করেছিলাম একটি নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে। তারপর একটার পর একটা পেতে থাকলাম। এভাবে ৫টি সুপার স্টারের সন্ধান পাওয়ার পর বিস্মিত হই।’

১৮৩৮ সালে ইটা কারিনার একটি বিস্ফোরণ থেকে সূর্যের চেয়ে দশগুণ বেশি শক্তি নির্গত হয়। রুবাব খান জানান, ‘ইটা কারিনাকে নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। তবে এখনও কেউ জানেন না, কেন এটি বিস্ফোরিত হয়েছিল। এটি বুঝতে হলে বিজ্ঞানীদের ইটা কারিনার মতো অন্য নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করতে হবে।’

এদিকে, বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানীর এমন সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। ফেসবুকে অফিসিয়াল পেজে রুবাব খান ও তার দলকে অভিনন্দন জানায় মার্কিন দূতাবাস।

 
ঢাকা, ১৪ জানুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন