[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত


প্রকাশিত: April 14, 2016 , 10:56 pm | বিভাগ: আপডেট,গেস্ট কলাম


ড. আবু এন এম ওয়াহিদ: যে পারিবারিক পরিবেশ ও সংস্কৃতিতে বড় হয়েছি, সেখানে প্রথম শিখেছি মা-বাবা, গুরুজন, কিংবা শিক্ষকদের সঙ্গে কখনও বেয়াদবি করতে নেই। তর্ক-বিতর্কের তো প্রশ্নই ওঠে না। অল্প বয়সে শিক্ষকরা ভুল-শুদ্ধ যা-ই পড়িয়েছেন তা-ই শিখেছি। লেখাপড়া কিংবা জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে শিক্ষক বা যে কারও সঙ্গে বিতর্কে জড়ানো যে বেয়াদবি নয় সেটা তখন জানতাম না। জানলে হয়তো গোড়া থেকে নিজেকে আরও অনেক মজবুত করে গড়ে তোলার সুযোগ পেতাম।
তবু আপন বুদ্ধিবৃত্তিকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে আমি যতটা সুযোগ পেয়েছি, অনেকের ভাগ্যে হয়তোবা তাও জোটে না। আসলে সুযোগ পেয়েছি, না তৈরি করে নিয়েছি সেটিও একটি প্রশ্ন বটে। দেশে থাকতে ছাত্রাবস্থায় শিক্ষকদের যেমন সমীহ এবং শ্রদ্ধা করেছি, তেমনি নিজে শিক্ষক হয়ে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সেই সম্মানের পুরোটাই কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করে নিয়েছি।
অবশ্য এতে আমার যেমন কোন কৃতিত্ব নেই, তেমনি শিক্ষার্থীদেরও নেই কোন আনুকূল্যের অবকাশ। এটা নিতান্তই আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও সমাজের বদান্যতা। উচ্চতর লেখাপড়ার জন্য যখন বিদেশে এলাম তখন এ মূল্যবোধে বড় ধরনের এক ধাক্কা খেলাম। চর্ম চোখে নতুন কিছু দেখতে দেখতে মনের চোখও খুলে গেল। আস্তে আস্তে বুঝতে লাগলাম আমাদের শিক্ষা-সংস্কৃতির যেমন একটা ভালো দিক আছে, তেমনি আছে তার মন্দ দিকও।
আগে যা-ই ভাবি না কেন, আমার এখনকার বিবেচনায় ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের মধ্যে আছে দুটো মাত্রা। একটা হল বাইরের উপরি খোলস। বাংলাদেশী সংস্কৃতিতে এই উপরি খোলসটাই আসল এবং এটা সর্বদাই থাকে অটুট ও পরিপাটিতে সাজানো-গোছানো। উপরি উপরি বাহ্যিক সম্পর্ক বলতে আমি যা বোঝাতে চাইছি তা হল, শিক্ষকদের সমীহ কিংবা সম্মান করার বিষয়টি। এতে আরও বোঝায়, সব সময় তাদের বাধ্য থাকা, তারা যা-ই বলেন তা-ই মেনে চলা, তা-ই শোনা ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই সম্পর্ক সম্বন্ধে আজকের নিবন্ধে কিছু অভিজ্ঞতার কথা বলব। তার মধ্যে একটি ছাত্র হিসেবে এবং আরেকটি শিক্ষক হিসেবে আমার নিজের অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে যোগ করব শিক্ষক হিসেবে আমার এক বন্ধুর অভিজ্ঞতার কথা। দেশ থেকে এমএ পাস করে উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রথম যখন কানাডা আসি তখন বুঝতে পারি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের বাহ্যিক উপরি উপরি বিষয়টি সে দেশে একেবারেই অর্থহীন।
বিষয়টি আমার কাছে প্রথম প্রথম খুবই দৃষ্টিকটু লাগত, কিন্তু পরে গা-সহা হয়ে গিয়েছিল। পাঠকদের জন্য ঘটনাটি আরেকটু খোলাসা করে বলা প্রয়োজন। যেমন কানাডার ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বছর গ্রাজুয়েট মাইক্রো ইকনোমিক্সের ক্লাসে একদিন গিয়ে দেখি, এক শ্বেতাঙ্গ কানাডিয়ান সহপাঠী বই-খাতা টেবিলের ওপর রেখে জুতাসহ পা দু’খানি টেবিলের ওপর ছড়িয়ে দিয়ে চিৎ হয়ে আধা শোয়া, আধা বসা অবস্থায় বিশ্রাম নিচ্ছে।
ক্লাসে শিক্ষার্থী ছিলাম আমরা দশজনেরও কম। একটি বড় কনফারেন্স টেবিলের তিন দিকে আমরা চেয়ার টেনে বসতাম। প্রফেসর দেয়ালে লটকানো ব্ল্যাক বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে লেকচার দিতেন। সময়মতো প্রফেসর ক্লাসে এসে ঢুকলেন। ছাত্রছাত্রীদের উঠে দাঁড়ানোর কোন রেওয়াজ নেই, তার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা সবাই যার যার চেয়ারে বসা।
ওই ছেলেটিও একেবারে ‘নট নড়ন চড়ন’Ñ যেমনি ছিল তেমনি ঠায় টেবিলের ওপর পা তুলে বসে রইল। কিছুই বলতে পারছিলাম না, কিন্তু আমার খুব অস্বস্তি লাগছিল। প্রফেসর ‘গুড ইভিনিং এভরি ওয়ান’ বলে লেকচার শুরু করে দিলেন। তিন ঘণ্টার ক্লাস, হাফ টাইমের পর ছেলেটি ১৫ মিনিটের ব্রেকের সময় সবার সঙ্গে কফি খেতে বেরিয়ে গেল। তখনই ওই দিনকার মতো আমারও অস্বস্তির অবসান হল। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, ছাত্রছাত্রীরা প্রফেসরদের স্যার বলে সম্বোধন করে না। কখনও প্রফেসর অমুক, কখনও বা ড. অমুক, কখনও শুধু নাম ধরেই ডাকে।
আমাদের দেশীয় রীতিনীতিতে আদব-কায়দা বলতে যা বোঝায়, উত্তর আমেরিকায় তার তেমন কোন বালাই নেই। এগুলোর কেউ ধার ধারে না, এ নিয়ে কেউ মাথাও ঘামায় না। এসব এ সমাজে নিতান্তই গৌণ ব্যাপার। অথচ আমাদের সমাজে এটাই আসল, এটাই মুখ্য, এটাই যেন সব।
এখানে নাম ধরে ডাকার ব্যাপারে আমার আরেকটি ছোট্ট মজার অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ম্যানিটোবায় একই বছর আমাদের ম্যাক্রোইকনোমিক্স পড়াতেন এক গ্রিক প্রফেসর, পরে তিনি আমার পিএইচডি থিসিস সুপারভাইজার হয়েছিলেন।
তার নাম কনস্ট্যান্টাইন আলেকজান্ডার নিকোলাও। ডিপার্টমেন্টের অন্য প্রফেসররা অর্থাৎ তার কলিগরা তার কঠিন ফার্স্ট নেমকে সহজ ও সংক্ষেপ করে ডাকতেন কস্টাস। আমি জানতাম এ দেশে তো প্রফেসরদের নাম ধরে ডাকা কোন বেয়াদবি নয়, তাই কোন এক কাজে একদিন প্রফেসর নিকোলাওর বাড়িতে ফোন করে বলেছিলাম, ‘মে আই স্পিক টু কস্টাস’? প্রফেসর নিকোলাও নিজেই ফোন ধরেছিলেন, তিনি আমার ধৃষ্টতায় মোটেও রাগ হননি।
ধীর স্থির ভরাট কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘দি নেম ইজ নিকোলাও’। প্রফেসর নিকোলাও সেদিন নিশ্চয়ই বুঝেছিলেন ওটা আমার অজ্ঞতাবশত ভুল, ই”ছাকৃত বেয়াদবি নয়। তখন আমি জানতাম না যে ঘনিষ্ঠ জানাশোনা না থাকলে কারও অনুমতি ছাড়া তাকে ফার্স্ট নেম বা প্রথম নামে ডাকা এ দেশেও বেআদবি। সেদিন আমি খুব বিব্রতবোধ করেছিলাম এবং এর পর থেকে অনুমতি ছাড়া কাউকে তার প্রথম নামে ডাকার সাহস দেখাই না।
এবার বলছি শিক্ষক হিসেবে আমার অভিজ্ঞতার কথাটা। বিদেশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে গিয়ে এই বাহ্যিক সম্পর্কটাকে অনেকভাবে অনুভব করেছি, অনেক সময় অকারণে ব্যথাও পেয়েছি। ক্লাসে কোন একাডেমিক কিংবা যেখানে ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ সরাসরি জড়িত, সেসব ব্যাপারে আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খুবই উদার ও তাদের প্রতি ভীষণভাবে সংবেদনশীল। প্রথম দিনই আমি আমার ক্লাসের ছেলেমেয়েদের এ বিষয়ে পূর্ণ অধিকার দিয়ে রাখি। তারা কোন সময় সেই অধিকারের চর্চা করে আবার কোন সময় করেও না।
প্রথম দিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাসের ভেতরে বা বাইরে যখন নাম ধরে ডাকত, অথবা ক্লাসে মামুলি বিষয়ে বেয়াদবি করত (অবশ্য আমার দেশীয় মূল্যবোধের বিবেচনায়), তখন খুব খারাপ লাগত। এখন আর তেমন অসুবিধা হয় না। বিষয়টিকে সাধারণভাবে নিতে শিখে গেছি। প্রতি বছর শত শত ছেলেমেয়ে আমার ক্লাসে এনরোল করে থাকে। নিতান্তই দু-একজন ছাড়া কারও নাম মনে রাখা সম্ভব হয় না। যাও বা থাকে, দু-এক সেমিস্টারের ব্যবধানে তা-ও ভুলে যাই। বেশির ভাগ ছাত্রকে শুধু মুখেই চিনি, নাম জানার আগেই সেমিস্টার শেষ হয়ে যায়।
বেশ কয়েক বছর আগে একবার এক মেয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে আমাকে দেখে ‘হায়’ বলেছিল। আমি তাকে চিনতে পারিনি। কেন তাকে চিনতে পারলাম না, সে জন্য ছাত্রীটি আমার ওপর ভীষণ রাগ করেছিল। সে আমাকে রীতিমতো অভিযুক্ত করল তাকে অপমান করার দায়ে। অথচ ছাত্ররা যখন আমাদের চিনতে পারে না তখন আমাদের পক্ষে রাগ করার কোন অবকাশ থাকে না। এ দেশে একটি কথা প্রচলিত আছে ‘স্টুডেন্টস ম্যাটার মোস্ট’।
অর্থাৎ ‘শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সবকিছুর ওপরে’, কথাটা অন্যভাবে বলা যায়, ‘ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাত খুন মাফ’। আমার জীবনে এ পর্যন্ত এমন ঘটনা এখনও হয়নি, তবে আমার এক বন্ধু একটি অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যায়ের অধ্যাপক। আরেক বন্ধুর কাছে শুনেছি তার একটি অভিজ্ঞতার কথা। মূল বাণী অটুট রেখে আমার আজকের উপসংহারের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক করে আমি ঘটনাটির বর্ণনা দিতে চাই। আমার বন্ধু অধ্যাপক একদিন শহরের উপকণ্ঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে গাড়ি ড্রাইভ করে যাচ্ছেন। শীতের দিন হঠাৎ দেখতে পেলেন তারই এক সাবেক ছাত্র রাস্তায় বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে, আর ঠাণ্ডায় জবুথবু হয়ে কাঁপছে।
তিনি কাছে এসে গাড়ি থামিয়ে বললেন, ‘গাড়িতে ওঠো, কোথায় যাবে? তোমাকে কি আমি তোমার গন্তব্যে নামিয়ে দিতে পারি’? ছেলেটি গাড়িতে উঠল এবং বলল সে কোথায়, কোন দিকে যাবে। দৈবপাকে আমার বন্ধু সেদিকেই যাচ্ছিলেন। গাড়ি চালাতে চালাতে বন্ধুটি আরও ভাবছিলেন ছেলেটি নিশ্চয়ই তাকে ধন্যবাদান্তে এক্ষনি কিছু একটা বলবে। কিন্তু আমার বন্ধুটি অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে অন্য কথা শুনলেন ছেলেটির মুখ থেকে। ছাত্রটি বলল, ‘তুমি কি প্রায়ই অপরিচিত লোকদের এভাবে তোমার গাড়িতে তুলে নাও?’ ‘না, কখনও নয়’, উত্তর দিলেন আমার হৃদয় বন্ধু। তারপর ছেলেটি আবার বলল, ‘এইমাত্র তুমি আমাকে যে তুললে?’ সে বলল, “তুমি আমার কাছে তো অপরিচিত নও। তুমি তো মাত্র গত সেমিস্টারেই আমার ছাত্র ছিলে। অমুক বারে, অমুক টাইমে, আমার অমুক ক্লাসে তুমি ছিলে না? আমাকে মনে পড়ে তোমার? আমার তো পরিষ্কার মনে আছে তুমি সেই কোর্সে ‘বি’ গ্রেড পেয়েছিলে।” তখন ছেলেটির মনে পড়ল। সে চিনতে পারল গাড়ির ড্রাইভার আর কেউ নন, তারই একজন শিক্ষক, যার কাছ থেকে সে মাত্র গত সেমিস্টারেই একটি কোর্স নিয়েছিল। আরও মজার ব্যাপার, নিজের শিক্ষককে চিনতে না পেরে ছেলেটি কিন্তু একটুও লজ্জা পায়নি কিংবা একবারও শিক্ষক-ড্রাইভারকে সরিও বলেনি। পাঠকরা বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এমন ঘটনার কথা কি কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারেন?
সে যাই হোক, ছাত্র-শিক্ষকের পবিত্র সম্পর্কের মধ্যে আছে আরেকটি মাত্রা, যাকে ‘জ্ঞানভিত্তিক গভীর বন্ধনও’ বলা যায়। এ বন্ধন বলতে আমি জ্ঞানের তত্ত্বকথা ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে-বিপক্ষে থাকা না থাকা বা তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মাঝে যে সম্পর্ক ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে সেটাকেই বোঝাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে এটাই মুখ্য, এটাই আসল, এটাই দীর্ঘ স্থায়ী। অথচ সাধারণ দৃষ্টিতে সচরাচর আমরা এ বন্ধনটিকে দেখতে পাই না, তার গভীর ও অন্তর্নিহিত টান অনুভব করতে পারি না। এটা আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির একটি দুর্বল দিক। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর অবসান হওয়া উচিত।
পাশ্চাত্য জগতে ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই ছাপার অক্ষরের লেখা দেখলেই বেহুঁশ হয়ে মুখ’ করে না। বোঝার চেষ্টা করে। এটা কী? ওটা কী? এটা এ রকম কেন? ওটা এ রকম না হয়ে ও রকম হয় না কেন? ইত্যাদি হাজারো প্রশ্নবাণে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সব সময় ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। শিক্ষকরাও এতে বিন্দুমাত্র বিচলিত কিংবা বিরক্ত হন না। তাদের দায়িত্ব ছাত্রছাত্রীদের মনে একটি প্রশ্নের জবাবের সঙ্গে আরও তিনটি প্রশ্ন করার তাগিদ সৃষ্টি করা।
একাডেমিক ব্যাপারে, জ্ঞানের ব্যাপারে ক্লাসের ভেতরে এবং বাইরে শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীর তর্ক-বিতর্কের কোন শেষ নেই। অনবরত এবং চলমান এ বিতর্কের মধ্যেই ছাত্র-শিক্ষকের মাঝে প্রকৃত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর এ সম্পর্ক হয় অনেক গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের এটাই আসল, এটাই মুখ্য এবং এটাই গুর“ত্বপূর্ণ। পাশ্চাত্য জগতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের এ মাত্রারই অনুশীলন হয়ে থাকে অধিক। আদব-কায়দা প্রথম হলেও এটাকে আমি বলছি দ্বিতীয় মাত্রা।
ইউরোপ-আমেরিকায় ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে আদব-কায়দার খুব একটা গুরুত্ব নেই, কিন্তু বাংলাদেশে আছে এবং আমি মনে করি, থাকাই উচিত। এটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। গুরুজন বা শিক্ষকদের সঙ্গে বেয়াদবি কিংবা তথাকথিত বাহাদুরিতে কোন কৃতিত্ব নেই। বাংলাদেশে যেভাবে শিক্ষকদের শ্রদ্ধা ও সমীহ করা হয়, সেটা সেভাবেই ধারণ এবং লালন করা উচিত। তবে তার সঙ্গে সঙ্গে যাকে আমি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের দ্বিতীয় মাত্রা বলছি, তার ওপর বেশি না হলেও অন্তত সমানভাবে গুরুত্ব দেয়া উচিত।
লেখক: আবু এন এম ওয়াহিদ : প্রফেসর, টেনেসি স্টেইট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
ঢাকা, ১৪ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম) //এএইচবি