[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



অনিরাপদ যৌনমিলনে হতে পারে ‘সিফিলিস’


প্রকাশিত: June 8, 2016 , 5:28 pm | বিভাগ: হেলথ


sifilis

লাইভ প্রতিবেদক:  সিফিলিস এইডসেরমতো এক ধরনের রোগ। মূলত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে এ রোগ হতে পারে। অনিরাপদ যৌনমিলন বা সংক্রমিত ব্যাক্তির সঙ্গে সহবাসের ফলে এই রোগ ছড়ায়। অ্যানাল বা ওরাল সেক্সের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে। এছাড়াও যেসব গর্ভবতী মায়েরা এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের শিকার তাদের ক্ষেত্রে গর্ভজাত শিশু অ্যাবনরমাল হতে পারে বা শিশু জন্মের পরই মারা যেতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়ায়র নামকরণ করা হয়েছে ট্রিপোনেমা প্যাল্লিডাম।

শুধু মাত্র সহবাসই এ রোগের জন্য দায়ি ব্যাপারটি সেরকম নয়। রক্তদানের সময় একই সূঁচ ব্যবহার করলেই এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। কিন্তু একই শৌচালয় ব্যবহার করলে বা জামা বদল করলে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়ায় না। করাণ সিফিলিস রোগের ব্যাকটেরিয়া মানব দেহের বাইরে বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে না।

এই রোগের লক্ষণ:

এই রোগের তিনটি আলাদা পর্যায় রয়েছে৷ রোগের পর্যায় অনুযায়ী উপসর্গ পরিলক্ষিত হয়।

এই রোগের প্রথম ধাপ কে প্রাইমারি সিফিলিস বলা হয়। এটিতে যৌনাঙ্গ বা মুখের আশে পাশে যন্ত্রণাহীন কালশিটে দাগ পড়তে দেখা যায়। এই দাগগুলো ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে আবার মিলিয়ে যায়।

দ্বিতীয় ধাপটি হল সেকেন্ডারি সিফিলিস৷ এই পর্যায়ের লক্ষণ আবার আলাদা হয়, যেমন – ত্বকে ফুসকুড়ি, গলা ব্যথা৷ এগুলি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেড়ে যায়৷ এরপরে এটি সুপ্ত দশায় চলে যায় এবং এটি প্রায় কয়েকবছর ধরে থাকে।

তৃতীয় পর্যায়ে এটিকে টেরটিয়ারি সিফিলিস বলা হয়ে থাকে। এটি হল সবচেয়ে মারাত্মক পর্যায়। প্রতি তিনজন সিফিলিস আক্রান্ত রোগী যারা এর চিকিৎসা করেন না, তাদের ক্ষেত্রে এই টেরটিয়ারি সিফিলিস দেখা যায়। এটি মস্তিষ্ক, চোখ শরীরকে মারাত্বকভাবে ক্ষতি করতে পারে।

রোগ প্রতিকার:

এই রোগের নির্ণয় করতে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ প্রয়োজন হবে। উপসর্গের সূচনা হলে  আজই ডাক্তারের কাছে যান। প্রাথমিক সিফিলিস চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো হওয়া সম্ভব। তবে তা যদি কোনোভাবে মারাত্মক আকার ধারণ করে তবে এ থেকে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসা:

প্রাথমিক পর্যায়ে যদি সিফিলিস ধরা হড়ে তবে অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিন ইনজেকশনের মাধ্যমে এটিকে সুস্থ করা যায়। তবে যদি সিফিলিস রোগের চিকিৎসা না করা হয় তবে এটি ভয়াবহ আকার নিতে পারে৷ এছাড়াও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই রোগ থেকে এইআইভি সংক্রমণ হতে পারে।

তাই এই রোগ এড়াতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো অরক্ষিত যৌনমিলন এড়িয়ে চলা এবং সুরক্ষিত যৌন পদ্ধতি গ্রহণ করা।

 

ঢাকা//০৮ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এফআর