[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



গণবি ক্যাম্পাসে রমজানের আমেজ


প্রকাশিত: June 10, 2016 , 4:23 pm | বিভাগ: ইভেন্ট,ক্যাম্পাস,ঢাকার ক্যাম্পাস,প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি


da5d0bdc-5c6a-4f8a-a4bc-6122b7c70b3e

আসিফ আল আজাদ, গণবি লাইভ: হিজরি চান্দ্রবর্ষের ৯ম আরবি মাসের নাম রমজান। এ মাসে মুসলিমগণ অধিক ইবাদত করে থাকেন। কারণ, অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে ইবাদতের সওয়াব বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়া হয়। মাহে রমজানের রোজা মুমিন বান্দাদের আত্মাকে নবশক্তিতে বলিয়ান করে। ইসলামের ২য় স্তম্ভ নামাজ যেমন মুমিনদেরকে শিক্ষা দেয় শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তী হওয়ার তেমনি মাহে রমজানের রোজা শিক্ষা দেয়, তাক্‌ওয়া, সহিষ্ণুতা ও সংযম।

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম ধর্ম পালনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রতিবারের মতো উৎসাহ উদ্দিপনার মাধ্যমে রমজানকে স্বাগত জানিয়েছেন আত্ন-সংযমের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন, পুরাতন বা শিক্ষাজীবন শেষ করা শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবারের মতো রোজা পালন করার পাশাপাশি যোগ হয়েছে অনেক নতুন প্রাপ্তি এবং বিগত বছরগুলোর কয়েকটি স্মৃতির পাতা।

ফলিত গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান রুহানী কাম্পাসলাইভকে বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার রোজার সময় একটু বেশি। তবে এবার রোজা রাখতে বেশ ভালোই লাগছে। ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সাথে কিংবা আল্লাহর ইবাদাতে সময় কাটছে। ইফতার বেশিরভাগ সময় বড় ভাইদের সাথে অথবা মাঝে-মধ্যে মামা কিংবা বন্ধুদের সাথে করা হয়।”

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল রিতু কাম্পাসলাইভকে বলেন, “মেসে থাকতে হয় বলে রুমমেট এবং বড় আপুদের সাথেই সেহরি, ইফতার এবং অন্যান্য সময় কেটে যায়। রোজা তো মাত্র শুরু হলো। নতুন প্রাপ্তি বলতে এখনও কিছু নেই। পরিবারের জন্য মন খারাপ হয় মাঝে মাঝে। কিন্ত গত ২ বছর ধরে এখানেই রোজার সময়টা কাটাচ্ছি বলে অভ্যাস হয়ে গেছে।”

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌফিকুর রহমান কাম্পাসলাইভকে জানান, গত বছরের ন্যায় এবারো রোজা রাখছি নিয়মিত। তবে গত বছর অনেক বড় ভাইদের সাথে সেহরি ও ইফতার করেছি যারা এখন নেই, তাদের অভাবটা নতুনদের মাধ্যমে কিছুটা পুরণ হলেও তাদের ভীষণ মনে পড়ে।

নতুনদের মতোই সদ্য শেষ হওয়া শিক্ষার্থীরা রমজানে রোজা পালন করছে নতুনভাবে যা কাউকে স্মৃতির পৃষ্ঠাগুলো মনে করতে বাধ্য করাচ্ছে আবার কেউ বাস্তবতার সাথে তাল মিলিয়ে আবিষ্কার করেছেন নতুনত্ব।

সমাজকর্ম ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী খাদেমুল ইসলাম কাম্পাসলাইভকে বলেন, “রমজান সব সময়ই একই রকমভাবে পালন করা হয়। শুধু কিছু মানুষ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয়েছে। তবে তাদের ভীষণ অভাব অনুভব করি সেহরি এবং ইফতারের সময়গুলোতে।”

ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মৌসুমী আক্তার বিগত বছরের রমজানের সময়কে মিস করার বিষয় উল্লেখ করে কাম্পাসলাইভকে বলেন, “তবুও খুশি যে পরিবারের সাথে রমজানে বাড়ি থেকে রোজা পালন করতে পারি।”

আইন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম রমজানের সময়গুলোকে কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান রেখে কাম্পাসলাইভকে বলেন, “রমজান মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে যেনো কাজে লাগানো যায়, সে প্রচেষ্টা চালানো উচিত। কেনো না এ মাস আমলের মাস। ইবাদতের মাস। প্রতি রমজানেরই উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম অভিন্ন। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত- এবাদতের মাধ্যমে রমজান মাস অতিবাহিত করা। তবে গত বছর আর এ বছরের মধ্যে শুধুমাত্র স্থানগত পরিবর্তনের কারণে অনেকগুলো নতুন মুখ দেখতে হচ্ছে আর অনেকগুলো মুখ চোখের আড়ালে রয়েছে।”

 

গণবি// এএএ, ১০ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এএইচ