[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন


প্রকাশিত: June 12, 2016 , 6:12 pm | বিভাগ: ফরেন ক্যাম্পাস


12.6.2016

লাইভ প্রতিবেদক: সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি (এসএইউ)-এর প্রথম সমাবর্তন ভারতের নয়া দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নেপালের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি. কামাল থাপার সভাপতিত্বে শনিবারের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সমাবর্তন বক্তৃতা প্রদান করেন ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জেনারেল (অবসর) ড. ভি কে সিং।

সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট (ভিসি) ড. কবিতা এ শর্মা স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের যুবশক্তিকে বিশ্বমানের আধুনিক জ্ঞান ভান্ডারে গড়ে তোলা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা করার উদ্দেশ্য নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ১৩তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার ধারণা গৃহীত হয়।

সার্কের ৮টি সদস্য দেশসমূহের যৌথ উদ্যোগে এসএইউ প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারতের রাজধানীর উপকণ্ঠে ময়দান ঘরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ভারত সরকার একশ একর জমি দান করেছে। একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। সমস্ত মূলধন বিনিয়োগ (Capital Investment) ভারত সরকার বহন করবে এবং সার্কভুক্ত প্রতিটি সদস্য দেশে স্যাটেলাইট ক্যাম্পাস থাকবে।

মাস্টার্স, এম.ফিল এবং পিএইচ.ডি পর্যায়ে সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির সাতটি বিভাগে বর্তমানে প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ভারতের পরেই ২য় বৃহত্তম শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন বাংলাদেশি ফ্যাকাল্টি মেম্বার আছে।

মি. থাপা এবং জেনারেল ভি কে সিং উভয়েই তাদের বক্তব্যে গুরুত্বারোপ করেন যে, সার্কভুক্ত দেশসমূহ যেহেতু একই ধরনের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস লালন করে এবং একই ধরনের সমস্যা বিরাজমান, সেহেতু এ অঞ্চলের লোকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বিনির্মাণের কোনো বিকল্প নেই।

উভয় বক্তা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, এতদঅঞ্চলের যুবশক্তি কর্তৃক সাধারণ জ্ঞান ভান্ডার বিনির্মাণ প্রয়োজন। এই ধরনের প্রয়াসের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের জীবনমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা যেতে পারে।

বক্তারা আরো বলেন যে, একদা বিশ্ব এ অঞ্চলটিকে অপুষ্টি, রোগ ও দারিদ্রপীড়িত এলাকা হিসেবে দেখতো। এখন কনওয়েলথভুক্ত জাতি হিসেবে অঞ্চলটি পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে সম্মান এবং মর্যাদা নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সমাবর্তনে ৬৫৬ জন গ্রাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করা হয় যেখানে ৩৪৮ জন উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ৭১ জন গ্রাজুয়েট বাংলাদেশি যেখানে একজন এম.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেছে।

অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের মো. আশরাফ উদ্দিন স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব গভর্নসের সদস্য প্রফেসর আবদুল মান্নান এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বাংলাদেশের পক্ষে সমাবর্তনে প্রতিনিধিত্ব করেন।

ড. কবিতা শর্মা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি যথাসময়ে সমাবর্তন করতে সক্ষম হবে।

 

ঢাকা, ১২ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এএইচ