[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



ঢাবির ‘ক’ ইউনিট কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে চান্স পেতে যা করবেন (পর্ব-১)


প্রকাশিত: July 10, 2016 , 12:54 pm | বিভাগ: আপডেট,এডমিশন,পাবলিক ইউনিভার্সিটি


du-admission-live

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কে না চায়। এব্যাপারে চাই কিছু পরামর্শ। সঠিক দিক নির্দেশনা থাকলে সহজেই ঢাবিতে চান্স পাওয়া সম্ভব হয়। চলুন জেনে নেই কিভাবে পড়াশোনা করলে ঢাবি ‘ক’ ইউনিট কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে চান্স পাওয়া যেতে পারে। আজ থাকছে প্রথম পর্ব :

প্রশ্ন হতে পারে “ভাইয়া, কীভাবে পড়লে আমি চান্স পেতে পারি ?”

প্রশ্নটা আসলেই একটু বেখাপ্পা ধরণের। একজনের পড়ার ধরণ অন্যজনের উপর চাপায়ে দেয়া যায় না। আবার সবাই সব গাইডলাইন ফলোও করতে পারেনা। তাও আমি যতদূর সম্ভব তোমাদেরকে এই ব্যাপারে হেল্প করার চেষ্টা করছিঃ

১. আমি সবসময়ই পাঠ্যবই থেকে সবগুলো টপিক ভালমত বুঝে আসতে বলি। এই কাজটা আসলে ইন্টার লাইফেই তোমার করে আসা উচিত ছিল, এই তিনমাস শুধু ঝালাই করার সময়। যারা এখন SSC বা HSC লেভেলে আছো, তারা কথাটা ভালভাবে শুনে রাখো। যারা সময়ের কাজ সময়ে করে আসে, তারাই বিজয়ের দাবিদার।

যারা মনে কর পাঠ্যবই ঠিকমত পড়া হয় নাই, আমি তাদেরকেও বলছি এখনো যতটুক সময় আছে তাতে ম্যাথ, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এর যেসব পড়া বোঝ না বা পড় নাই সেগুলো বুঝে নেওয়ার চেষ্টা কর। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষকরা ইন্টারের বই থেকে প্রশ্ন বানান, বাজারের কোন চটকদার বই থেকে না।

২. সব টপিকের গুরুত্ব সমান না। অনেক জিনিস এখন না পড়লেও চলবে। বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক সাথে রাখবে। যেই অধ্যায়/টপিক থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেগুলো আগে পড়বে।

৩. এমন দুই একটা ছোটখাট টপিক যা তোমার কাছে খুব কঠিন লাগে, তা বাদ দিতে পার। সেখান থেকে ২/১ টা প্রশ্ন আসলেও চান্স পাওয়ার জন্য সেটা ফ্যাক্ট করবে না। অর্থনৈতিক রসায়ন, ল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহার, ফিজিক্সের ইতিহাসের অধ্যায় পড়নি? ১৫ বইয়ে ১৫ রকম? ওকে, ছুঁয়ো না ওগুলো।

৪. ম্যাথ, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি তে দেখবে কিছু কিছু সূত্র এবং কনসেপ্ট থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে। তোমার বেলায়ও আসবে। এগুলো যেন হাতছাড়া না হয়। আর জ্ঞানমূলক তথ্য মুখস্ত করার থেকে গাণিতিক অংশে বেশি জোর দাও।

৫. সবসময় মেইন বই ঘাটার টাইম পাওয়া যায় না। কোচিং এর লেকচার বুক/ শিট এ অনেক দরকারি সূত্র ও পড়া সাজায়ে দেয়া থাকে। এটা হেল্পফুল। অনেক সময় বই-পুস্তক ঘেটে নিজেও অনেক কিছু সাজিয়ে নেয়া লাগে। যেইসব সূত্র/পড়া তোমার মনে থাকে না, সেগুলো এক জায়গায় লিখে রাখতে হয়- যাতে মাঝে মাঝে চোখ বুলাতে পার। খুব কঠিন কিছু না।
(চলবে-)

 

[কার্টেসি : মুশফিক‬, BUET]

 

 

ঢাকা, ১০ জুলাই (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন