[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



নর্থ সাউথ, ব্র্যাক ও এআইইউবির অজানা কথা


প্রকাশিত: July 12, 2016 , 6:13 am | বিভাগ: এক্সক্লুসিভ,ক্যাম্পাস,ঢাকার ক্যাম্পাস,প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি


nsu,b,aiub

আজহার মাহমুদ: তিন প্রাইভেট ভার্সিটি নিয়ে চারদিকে তুমুল ঝড় উঠেছে। দেশ-কিংবা বিদেশেও জোরেসোরে চলছে আলাচনা-সমালোচনা। অলিতে-গলিতে, পাড়া-মহল্লা এমনকি চায়ের আড্ডাতেও সমালোচনার কমতি নেই। সবাই আঙ্গুল উচু করছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এআইইউবি) দিকে। কেন বার বার ঘুরে ফিরে তাদের নাম আসছে এই হিসাব করছেন গোয়েন্দারাও। বলছেন, এদের অবহেলা ও দুর্বলতার সুযোগে শিক্ষার্থীরা ঝুকে পড়ছেন জঙ্গি তৎপরতায়।

সংশ্লিস্টরা আরও জানান, গুলশানের কূটনৈতিক পাড়ার ট্রাজেডি, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার হামলা, পুরোহিত হত্যা, ব্লগার হত্যা ও বিভিন্ন ব্যক্তিকে হত্যার হুমকির সঙ্গে যাদের সংশ্লিস্টতা পাওয়া যায় তাদের অধিকাংশই নর্থ সাউথ, ব্র্যাক ও এআইইউবির শিক্ষার্থী। কেউবা সদ্য পাশ করেছে। অনকেই রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাইরে। আবার এসব জঙ্গি তৎপরতার কারণে চাকুরী ও ছাত্রত্ব হারিয়েছেন কেউ কেউ। প্রশ্ন উঠেছে ওই সব প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বা মালিক ও শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়েও। এরা শুধুই বাহারি বিজ্ঞাপন দিয়ে ছাত্র ভর্তি করে। আর কোন খোঁজ রাখেন না।

গোয়েন্দা ও মনোবিজ্ঞানীদের প্রশ্ন এরা তো পাশ্চাত্য শিক্ষায় বেড়ে উঠছে। আধুনিকতার সকল ছোয়া লাগছে তাদের গায়ে। এসব ধনীর দুলালেরা নিত্য নতুন কিছু পেতেই বিপথগামি হচ্ছে। সংশ্লিস্টরা আরও বলছেন, ওই শিক্ষার্থীদের কাছে তারুণ্যকে আকৃষ্ট করে, আবেদন যোগায় এমন সব উপাদানইতো তাদের হাতের নাগালে। ইন্টারনেট, ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমের বদৌলতে সব কিছুর স্বাদও তারা পাচ্ছেন।
পাঁচ তারা হোটেল, বার, রেস্তুরা, পার্টি ও ডিসকোর বাজনার তালে তালে মন মাতোয়ারা সুযোগ পেয়েও কেন তারা জঙ্গি কার্যক্রম ও তৎপরতায় জড়াচ্ছে এই হিসাব মিলাতে পারছেন না গোয়েন্দা ও অভিভাবকরা।

 

তবে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এর নেপথ্যে নতুন কিছুর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে তরুণ শিক্ষার্থীদের। এ প্রসঙ্গে বিশিস্ট অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড.প্রফেসর আব্দুল হাকিম সরকার ক্যাম্পাসলাইভকে বলেছেন, এর পেছনে নানান কারণ কাজ করছে।
তিনি বলেন, ওই মেধাবী তরুণ শিক্ষার্থীরা ফেসবুুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করে। জঙ্গিদের একটি অংশ ফেসবুকে জঙ্গি তৎপরতার নানা কর্মসূচী প্রচার করে। এতে ওই মেধাবী তরুণেরা লাইক দেয়। ইংলিশ ভার্সানে তাদের সাথে চলে চ্যাটিং। রাতের পর রাত। এভাবে টার্গেট করে জঙ্গিরা। আকর্ষণ বাড়ায়। ধীরে ধীরে তাদেরকে জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িয়ে ফেলে। এভাবেই নিখোঁজ হয়। এছাড়া পারিবারিক হতাশা, প্রেমে ব্যর্থ ও অতিরিক্ত অর্থের লোভ থেকেও জঙ্গিবাদের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে।

মনোবিজ্ঞানী ড. আশুতোষ চ্যাটার্জি ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, জঙ্গিরা সাধারণত মেধাবী ও ধনীর ঘরের সন্তানদের টার্গেট করে। এরা ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ খুলে চমৎকার ও চটকদার বাণী প্রচার করে। তাছাড়া তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন কিছু পাওয়ার নেশা আসে। তারা পাশ্চাত্য কালচার থেকে বেরিয়ে নতুন এডভেঞ্চারের সন্ধানে পা বাড়ায়। এই সুযোগে দেশী ও বিদেশী জঙ্গি ও বিপথগামিদের টার্গেটের শিকার হয়ে যায় সহজেই। অন্যদিকে মেধাবীদের একটি অংশ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবি, হরকাতুল জিহাদ ও হিজবুত তাহরীরসহ দেশীয় সংগঠনের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে জড়াচ্ছে অপ তৎপরতায়।

সূত্র জানায়, গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে এ যাবত প্রায় ৬০ জনেরও বেশী সন্দেহ ভাজনদের নাম ঠিকানা ইমিগ্রেশনে দেয়া হয়েছে। নির্দেশ দেয়া আছে এরা যেন কোন ফাঁক ফোঁকরে দেশের বাইরে যেতে না পারে।

সংশ্লিস্টরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ১৪টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, ৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ৯টি ইংলিশ মিডিয়াম কলেজ ও ৯টি সরকারি কলেজ ও ৩টি বেসরকারি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ট্রাস্ট্রি ও মালিক পক্ষের সম্ভাব্য নামসহ সন্দেহভাজনদের তালিকা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সে অনুযায়ী নজরদারির কাজও চলছে বলে জানায় নির্ভরযোগ্য সূত্র।

সূত্র আরও জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রাজধানীর কূটনৈতিক পাড়ার বনানী ও গুলশানে ৬টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান। এর মধ্যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্ণধারের গতিবিধি সন্দেহজনক বলে অপর একটি সূত্র জানিয়েছে। গোয়েন্দারা ওই প্রতিষ্ঠানের ওপর আগে থেকেই নজরদারি করে আসছেন। তাদের সন্দেহভাজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাসহ সংশ্লিস্টদের গতিবিধিও রেকি চলছে।

কোন জঙ্গি কোন প্রতিষ্ঠানের:

wer

নিহত জঙ্গী নিবরাস ইসলাম ১০টি টুইটার অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করতেন। তার মধ্যে একটি ছিল সামিউইটনেস। সেটি পরিচালনা করত আইএসের প্রচারক মেহেদি মাসরুর বিশ্বাস। গত বছর ভারতের বেঙ্গালুরু থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ফ্রান্সের ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা শার্লি এবদোর কার্যালয়ে জঙ্গি হামলার পরই গত বছরের জানুয়ারিতে টুইট করেন ব্রিটেনের কট্টরবাদী আনজেম চৌধুরী। নিবরাস পড়াশোনা করেছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আরেকজন নিহত জঙ্গি মীর সামেহ মুবাশ্বের। তিনিও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল স্কলাস্টিকায় পড়াশোনা করেছেন। ‘এ লেভেল’ পরীক্ষার আগে গত মার্চে নিখোঁজ হন বলে জানা যায় পারিবারিক সূত্রে।

এর আগে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ও ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় যে আটজনের সাজার আদেশ হয়, তাদের মধ্যে সাতজনই নর্থ সাউথের শিক্ষার্থী ছিলেন।

তাছাড়া নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ফ্যাকাল্টি ছিলেন হাসনাত করিম। জঙ্গি সংশ্লিস্টতার কারণে অর্থাৎ হিজবুত তাহরির কারায় তাকে চকরিচ্যুত করা হয়। হাসনাতের পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে , হাসনাত করিম ২০ বছর দেশের বাইরে ছিলেন। ইংল্যান্ডে প্রকৌশল পড়াশোনার পর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে এমবিএ করেন।

তিনি ফ্রান্সের সমালোচক ছিলেন। সেটিতে লাইক দিয়েছিলেন নিবরাস। আন্দালিব আহমেদ নামে এক ব্যক্তির টুইট অ্যাকাউন্টে দেখা গেছে তিনি মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন কারা এইসব আইএস, নিষিদ্ধ ও জঙ্গিদের পেজে লাইক দিয়েছেন। তাদের পক্ষে পজেটিভ ক্যাম্পেইন করেছেন। তাদের নাম ঠিকানাও যাচাই বাচাই চলছে।

http://www.campuslive24.com/wp-content/uploads/2016/07/index8.jpg

এদিকে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদ জামায়াতের মাঠের কাছে পুলিশ ও হামালাকারীদের গোলাগুলিতের মধ্যে নিহত সন্দেহভাজন তরুণ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হিযবুত তাহরীরের কার্যক্রম শুরু করার পর পরই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তা বিস্তার লাভ করে। ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করলেও নর্থ সাউথে গোপনে এর কার্যক্রম চলছিল। এক শ্রেণির শিক্ষক কর্মকর্তার ওপর ভর করে সংগঠনটি এখনও চলছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সূত্র জানায়, একজন উপ পরিচালক জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দারা ।

উল্লেখ্য কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস নামে যে বাংলাদেশি গত বছরের নভেম্বরে নিউইয়র্কে বোমা হামলা করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন, তিনিও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন।

তাছাড়া গত বছরের অক্টোবরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তদন্তকালে ইউজিসি দল গ্রন্থাগার পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে হিযবুত তাহরীরের বই গ্রন্থাগারে পাওয়া যায়।
এ বই গত ১৩ আগস্ট সর্বশেষ ইস্যু করা হয়। তদন্ত কমিটি বলেছে, গ্রন্থাগারে এ ধরনের বই রাখা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৬ (১০) ধারার লঙ্ঘন। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থের পরিপন্থী বিবেচিত হওয়া গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত বই পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেছিল ইউজিসি।

এ প্রসঙ্গে ভিসি প্রফেসর আতিকুল ইসলাম ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, কিছু ঘটনায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এসেছে। যেসব ঘটনায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আসছে, সেসব ক্ষেত্রে উগ্রবাদের একমাত্র উপাদান এই বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না। এখানে একজন শিক্ষার্থী সপ্তাহে ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় কাটান। তার বাইরে যে সময়টা আছে, সেটি তিনি বিভিন্ন জায়গায় পার করছেন। ইলেকট্রনিক মিডিয়া আছে, ইন্টারনেট আছে, সেগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডে তাদের আরো বেশি উদ্বুদ্ধ হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এছাড়া গুলশান হামলাকারীদের অন্যতম হোতা রোহান ইমতিয়াজ। তিনি রাজধানীর স্কলাসটিকা স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য ভর্তি হন মহাখালির ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার পিতা ইমতিয়াজ খান বাবুল। তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক। একই সাথে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনিত ওয়ার্ড কমিশনার প্রার্থি ছিলেন। ইমতিয়াজ খান বাবুল বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ সাইক্লিস্ট ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারিও বটে।

রোহান ইমতিয়াজ

লক্ষ্মীপুরের এ টি এম তাজউদ্দিন কাউসারের সন্ধানে থানায় জিডি করেছেন তার মা। গুলশানের জঙ্গি হামলার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিখোঁজ যে ১০ যুবকের তালিকা আসে, তার একজন লক্ষ্মীপুরের এ টি এম তাজউদ্দিন কাউসার। একারণেই তার পরিবার থানায় জিডি করেছে। কাউসার ঢাকার অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ থেকে বিএসসি ডিগ্রি নেয়।

এআইইউবির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এর আগেও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর ব্যাপারে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িতের অভিযোগ আসে। একটি গোয়েন্দা সংস্থা তাদের কাছে ওই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন তথ্যও চেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় তাদের যাবতীয় তথ্য সরবরাহ করেছে বলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে গোয়েন্দারা বলছেন, বনানী ও গুলশানের আরও ২/১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও আসছে জঙ্গি অর্থায়ন ও জঙ্গি সহায়তার। তারা এই গ্রুপের কাউকে সহায়তা করছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে আইজিপি একেএম শহীদুল হক ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘ড্রাগ যেমন একটা সময়ে তরুণ সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতো, আজ তেমনইভাবে জঙ্গিবাদও তরুণদের নিয়ন্ত্রণ করছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষের সাথে আমরা শিগগিরই বসবো। দেশ ও মানুষের স্বার্থে এ ব্যাপারে কোন ছাড় নেই।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় মিলেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি ও ভিসিদের নিয়ে সভা সফল করব। তিনি বলেন, ইসলামের নামে কেউ জঙ্গিবাদের মদদ দেবে আর আমরা বসে থাকবো তা হবেনা। এদেশে কোন জঙ্গিদের ঠাই নেই।

 

ঢাকা, ১২ জুলাই (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএম