[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



সুফ্ফা রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নির্যাতনের অভিযোগ


প্রকাশিত: August 5, 2016 , 8:38 pm | বিভাগ: এক্সক্লুসিভ,ক্যাম্পাস,খবর,রংপুরের ক্যাম্পাস,স্কুল


soffa school

মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর : সুফ্ফা রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও ছাত্রছাত্রীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ মিলেছে। জেলার চিরিরবন্দর এলাকায় স্কুলটি অবস্থিত। লাগাতার তাদের কামখেয়ালী ও উদাসিনতার কারণে অভিভাবকরাও ক্ষোভের কথা মুখ খুলে বলতে পারছেন না। তবে সাহস করে দুই অভিভাবক তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন।

 

এ ব্যাপারে দুই ছাত্রীর অভিভাবক জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। যার অনুলিপি শিক্ষা সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে জেলা শিক্ষা অফিসার অভিযোগ প্রাপ্তির ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। বলেছেন, আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যববস্থা নেব।

মো. আবুল হোসেন সরকার তার লিখিত অভিযোগে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলে আমার দুই মেয়ে মোছা: আল মুরসালিনা (ঝুমু) ও মোছা: আল মুস্তুরা (মুমু) স্কুলের আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়ালেখা করছে।

ঝুমু সপ্তম শ্রেণিতে ও মুমু এসএসসি পরীক্ষার্থী। আমার মেয়েরা স্কুলে ভর্তির পর থেকে স্কুলের মালিকের স্ত্রী একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জোসনা পারভীন জুসির বিরুদ্ধে ছাত্রীদের দ্বারা স্কুলের পায়খানা ও হোস্টেল পরিষ্কার এবং স্কুল সংলগ্ন জোসনা পারভীন জুসির বাসার কাজ করাতো মর্মে অভিযোগ করে আসছিল।

তারা আরো অভিযোগ করে যে, ৪,৫০০ টাকা হোস্টেল ভাড়া ও ২,২০০ টাকা সেশস ফি নিলেও আবাসিক হোস্টেলের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখেন। ছাত্রীরা হোস্টেলের বেলকনিতে কাপড় শুকাতে দিলে প্রতি ছাত্রীর নিকট থেকে ১০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জরিমানা না দিলে উক্ত কাপড় দিয়ে ঘর মুছার নেকড়া বানানো হয়।

জোসনা পারভীন জুসির কথা মত কাজ না করলে ছাত্রছাত্রীদের ও অভিভাবক গালিগালাজ করেন। স্কুলের আয়া অনেক সময় জোসনা পারভীন জুসির নিকট ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেন এবং সেও ছাত্রছাত্রীদের গালিগালাজ করেন।
বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানালে তিনি স্কুলের মালিক চিরিরবন্দর হাই স্কুলের শিক্ষক মো. সোহরাওয়ার্দী ও তার স্ত্রী জোসনা পারভীন জুসির নির্দেশে সব কিছু চলে বলে জানান। তাই আমার কিছু করার নেই।

স্কুলটির নবম ও দশম শ্রেণিতে পাঠদানের কোন অনুমতি নেই, স্কুলের মালিক ছাত্রীদের উপ-বৃত্তির টাকা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়, স্কুলে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত স্কুল মালিক মো. সোহরাওয়ার্দী ও তার স্ত্রী জোসনা পারভীন জুসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট দাবী জানান ওই অভিভাবক।

 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত স্কুল মালিক মো. সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

ঢাকা, ০৫ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএম