[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



শাবি শিক্ষকের কারসাজি : অনার্সে প্রথম ছাত্রীর মাস্টার্সে একী ফল!


প্রকাশিত: August 22, 2016 , 3:33 am | বিভাগ: আপডেট,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,সিলেটের ক্যাম্পাস


samiul-live

শাবি লাইভ : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর নম্বর কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত করা ও তার থিসিস রিপোর্ট পূণরায় মূল্যায়নের জন্য বিভাগীয় প্রধানের কাছে চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠির অনুলিপি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককেও দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী বিথী দেবনাথ গত ৭ আগস্ট প্রেরিত এক চিঠিতে একই বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মো: সামিউল ইসলামের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন। একই সঙ্গে তাকে হয়রানি করে ক্যারিয়ার নস্ট করে দেয়ারও অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী ছাত্রী মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষক মো : সামিউল ইসলামের অধীনে থিসিস (চধফ-৬১১) কোর্স সম্পন্ন করেন।

বিথী দেবনাথ থিসিস পেপারটিকে নিরপেক্ষ পরীক্ষকের মাধ্যেমে পুণঃমূল্যায়ন করার জন্য বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে গত ৭ আগস্ট লিখিত দাবি জানিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী উল্লেখ করেন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে দুটি সেমিস্টারের সম্মিলিত ফলাফলে সিজিপিএ ৩.৫৫ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করলেও ১২ ক্রেডিটের থিসিসে (Pad-611) ইচ্ছাকৃতভাবে অপেক্ষাকৃত কম নম্বর দেয়া হয়েছে।

থিসিস মূল্যয়নের কোনো এক পর্যায়ে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বর্তমানে তিনি মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মোট ১০০ নম্বরের থিসিস রিপোর্টের ভাইভা, প্রেজেন্টেশন এবং এক্সটার্নাাল শিক্ষকের কাছে তিনি “এ মাইনাস” নম্বর পান। কিন্তু থিসিস পেপারের তত্ত্বাবধায়ক সামিউল ইসলাম এর জন্য বরাদ্ধকৃত ত্রিশ শতাংশ নম্বরের মধ্যে কম নম্বর দেয়ায় তার রেজাল্ট “বি প্লাস” চলে আসে।

ফলে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে নেমে যান বিথি দেবনাথ। বিথী দেবনাথ স্নাতকে সিজিপিএ ৩.৪৫ পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

এব্যাপারে সামিউল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

লোক প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এসোসিয়েট প্রফেসর শফিকুল ইসলাম বলেন, চূড়ান্ত ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি। শিক্ষার্থীর অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শাবি//এনডি, ২২ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন