[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



যেভাবে শাবি শিক্ষকের ধর্ম বৈষম্যের শিকার ছাত্রী!


প্রকাশিত: August 23, 2016 , 12:47 am | বিভাগ: আপডেট,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,সিলেটের ক্যাম্পাস


sami-78

লাইভ প্রতিবেদক : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু ছাত্রীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ছাত্রী ধর্মবৈষম্যেরও শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও ওই ছাত্রীর থিসিস পেপারের প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে জোর করে  “সকল প্রসাংশা একমাত্র আল্লাহর” লিখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এতকিছু করেও ওই ছাত্রীকে থিসিসে কম নম্বর দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে শাবিতে তোলপাড় চলছে।

জানা গেছে, শাবির লোক প্রশাসন বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মো: সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে থিসিসে কম নম্বর দেয়ার অভিযোগ করেছে বিভাগের সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রী। ভুক্তভোগী ছাত্রীর নাম বিথী দেবনাথ। তিনি লোক বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষা বর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষক মো: সামিউল ইসলামের অধীনে থিসিস (প্যাড-৬১১) কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

SUST Pic (4)
বিথী দেবনাথ জানিয়েছেন, সনাতন ধর্মালম্বী হওয়ার পরও থিসিস পেপারে স্বীকারোক্তি অংশে “সকল প্রসংশা একমাত্র আল্লাহর” লিখতে বাধ্য করা হয়েছে।

বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মোট ১০০ নম্বরের থিসিস রিপোর্টের ভাইভা, প্রেজেন্টেশন এবং এক্সটার্নাাল শিক্ষকের কাছে তিনি “এ মাইনাস” নম্বর পান। কিন্তু থিসিস পেপারের তত্ত্বাবধায়ক সামিউল ইসলাম এর জন্য বরাদ্ধকৃত ত্রিশ শতাংশ নম্বরের মধ্যে কম নম্বর দেয়ায় তার রেজাল্ট “বি প্লাস” চলে আসে।

ফলে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে নেমে যান বিথি দেবনাথ। বিথী দেবনাথ স্নাতকে সিজিপিএ ৩.৪৫ পেয়ে প্রথম স্থান করেন।

এ অবস্থায় থিসিস পেপারটিকে নিরপেক্ষ পরীক্ষকের মাধ্যেমে পুণঃমূল্যায়ন করার জন্য বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে গত ৭ আগস্ট লিখিত দাবি জানিয়েছেন বিথী দেবনাথ।

তবে এ বিষয়ে শিক্ষক সামিউল ইসলাম কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ঢাকা, ২২ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন