[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



আমারও একটা হল চাই, যদি এমন হত!


প্রকাশিত: August 28, 2016 , 4:03 am | বিভাগ: অপিনিয়ন,আপডেট


arif-live-3

আরিফ চৌধুরী শুভ : এই মূহুর্তে ঢাকা শহরে চলমান কয়েকটি বড় আন্দোলনের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হল চাই’ আন্দোলন একটি। রামপাল আন্দোলন আর ফারহানা ফেরদৌস হত্যা রহস্য অনেকটা চাপা পড়েছে ‘হল চাই’ আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ঘামের নিচে। এ কদিনের আন্দোলনে হীরক দানা বেঁধেছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন। ভিসির কক্ষে তালা লাগিয়ে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ করে অবরোধও পালন করেছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

পুরান ঢাকা, তাতী বাজার, প্রেসক্লাব, পল্টন, শহীদ মিনার, প্রিন্ট মিডিয়াসহ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত সবার মুখে মুখে যখন একটাই বাণী ‘হল নাই’। ‘হল চাই’। তখন আমিও বলছি, আমারও একটা ‘হল চাই’!

হলটি হবে ধুমপান আর নোংরা রাজনীতি মুক্ত। ছোট ভাই, বড় ভাই, হলের দায়িত্বরত শিক্ষক, সবাই সবার সহযোগি। পড়াশোনা, গল্প, গান, আড্ডা, ক্যারাম, দাবা, জোকস সবই নিয়ে দিন কাটবে।

ওরা এগারো জনের মতো গ্রুপ গ্রুপ করে বিসিএসের প্রস্তুতি নেবে কেউ। এক এক দিন এক এক বিষয় নিয়ে পাঠচক্র হবে। আলোচনা হবে জঙ্গি, রামপাল, সুন্দরবন, চ্যাম্পিয়ান অব দ্যা আর্থ, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ নানা বিষয় নিয়ে। বোরিং লাগলে হলের ক্যাফেটেরিয়ায় রগু মামার আদা চায়ে চুমুক দিতে দিতে হীরে মানিককে বলবে অনেক লম্বা বেড়ানোর পর বাড়ি থেকে আসেছিস, বল মা কেমন আছেন?

প্রসূতি মায়ের রক্ত লাগবে শুনলে হলের সবাই রক্ত দিতে লাইন ধরবেন হাসপাতালে। ছুটে যাবে বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ নিয়ে। কাউকে হলের বারান্দায় শুয়ে হাফিজুরের মতো নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চলে যেতে দেবে না অকালে। সবাই দাঁড়াবে মিতুর ধর্ষণ আর আফসানা হত্যার বিচারে।

আমি হলের প্রতিটি রুমের নাম দেব সালাম, জব্বার, রফিক, মতিন, বিশ্বজিৎ, নূর হোসেন ইত্যাদি। ইত্যাদি।

শিক্ষার্থীদের ‘হল চাই’ আন্দোলন নিয়ে অনেকে লিখতে বলেছেন প্রথম থেকেই। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার কজন মেধাবি ছাত্র (যাদের আমি স্কুল জীবনে বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজে পড়িয়েছি) ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারি শুভাকাঙ্খি আন্দোলন শুরুর পর থেকে বিষয়টা নিয়ে লিখতে বলেছেন।

তাদের বিশ্বাস আমি কোন অমূলক লেখা তাদের জন্যে লেখবো না, কারো দ্বারা আমাকে দিয়ে লেখানো সম্ভব ও না। সত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সফল হওয়া কয়েকটা আন্দোলন নিয়ে আমার সমস্ত লেখা তাদের নাকি দৃষ্টি এড়ায়নি। ধন্যবাদ আমার লেখার পাঠকদের।

তারা বলেছেন শুধু সেই জন্যে নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এ আন্দোলনের ন্যায় ও অন্যায় নিয়ে কথা বলাটা আমার অধিকারে বর্তায়। যে অধিকারের জায়গা থেকে শুরু করেছি প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষার জন্যে ক্লাসের পাশাপাশি কেন আলাদা কোচিং নয়? মাধ্যমিকে অতিরিক্ত টিউশান ফি আদায় কেন? সরকারি কলেজে সাপ্তাহিক পরীক্ষা ও একাদশের শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে সিট কেন নয়? কলেজ শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধা কেন নয়? বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আইইবি আন্দোলন, ভ্যাট আন্দোলন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অবমাননাকর ও উচ্চ শিক্ষাকে তুচ্ছ করে লেখার প্রতিবাদ ইত্যাদি, ইত্যাদি।

সব আন্দোলনই সফলতা পেয়েছে যৌক্তিক ছিল বলে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মনে প্রাণে চান আমি যেন তাদের যৌক্তিক আন্দোলনে সমর্থন করি ও কলম ধরি।

আমি আন্দোলন বুঝি না। আন্দোলন করার জন্যে যোগ্যতারও প্রয়োজন। যদিও এখন পর্যন্ত আন্দোলনই আমার জীবন। তবে যেটা বুঝতে চেষ্টা করি সেটা হলো ন্যায় ও অন্যায়। এটা বুঝতে পারলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায় আমার বিশ্বাস। যতদিন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের ন্যায় ও অন্যায় বুঝবেন না, ততদিন কোন সমাধানই হবে না।

তাই প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে বুঝতে হবে শিক্ষার্থীরা কেন রাস্তায়? ‘হল চাই’ আন্দোলন ন্যায়, নাকি অন্যায়? এ দাবির পক্ষে বিপক্ষে অনেকের যুক্তি থাকতে পারে। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর হলের অধিকার কি অন্যায়?

একজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হন। তাই তার শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবকিছু হওয়া উচিত বিশ্ববিদ্যালয় মানের। প্রকৃতির সাথে যে শিক্ষা, রাষ্ট্র তাকে সেটা উপহার দেওয়া উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ে। চিলেকোটায় থেকেও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছেন। হয়েছেন অনেক বিজ্ঞজন।

স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারি আসম অবদুর রব বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের বারান্দার ফ্লোরে থেকেছেন, গাছতলায় হারিকেন জ্বালিয়ে পড়েছেন। ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালাম আজাদও হলের ছাদে রাত কাটিয়েছেন। তাদের হল ছিল বলে ফ্লোর কিংবা ছাদে রাত কাটিয়েছেন। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেই হল টুকুও কি আছে?

jnu-12

পুরান ঢাকার পরিবেশের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বড়ই বেমানান। বসতির তুলনায় সেখানের বেশির ভাগ আবাসিক ব্যবস্থা এতটাই অস্বাস্থ্যকর, অপ্রতুল ও ব্যয়বহুল যে, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর পরিবেশের সাথে বড়ই বেমানান।

দু:খজনক হলেও এটিই সত্য যে, তিনগুণ টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীরা সেখানে মেসে ও হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছেন। নামমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকটি হল আছে, বেশির ভাগই বেদখলে। দোকান আর গুদাম ব্যবসা চলছে হলগুলোতে। অথচ ১১ বছরেও কার্যকারি কোন উদ্যোগ নেই সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। দিনের পর দিন শিক্ষার্থীদের অসহনীয় করুণ পরিণতির বর্তমান পরিসিস্থিতি ‘হল নাই’ ‘হল চাই’ আন্দোলন।

কিছুদিন আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সেমিনারে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল প্রফেসর আবদুল্লাহ আবু সায়েদি, ফারুক ওয়াসিফ ও বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে। সেমিনার শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকদের সাথে কথা হলো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। যতবারই আমি বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি ও বিশ্বজিৎ এর কথা বলতে গিয়েছি, ততবারই থামিয়ে দিতে চেয়েছেন উপস্থিতজন। ইশারা ও ইঙ্গিতে দেখিয়েছেন তারা কতটা অসম্পন্ন ও অনুপযোগিতার মধ্যে আতঙ্কে আছেন আপন বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায়।

সবার চোখে মুখে যে আতঙ্ক দেখেছি, সেটা আমার বর্ণনাতীত। শুনতাম বিশ্ববিদ্যালয় আনন্দ আলোয় আঙিনা, আতঙ্কের নয়। কিন্তু জগন্নাথকে না দেখলে সেদিন অনুভব করতাম না। ঘুরে দেখা হল একটি হলের সমান পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে। জগন্নাথের নোংরা রাজনীতির সাথে আরও যেটা স্পষ্ট দেখলাম, সেটি হল কেন্টিনের অস্বাস্থ্যকর ও অপুষ্টিকর খাবার।

কোন শিক্ষার্থী প্লেটের সম্পূর্ণ খাবারটুকু শেষ করতে পারেনি। খুবই দু:খ জনক! বাধ্য হয়ে অনেকে বন্ধু বান্ধবদের থেকে ধারদেনা করে খেতে যান বাহিরে। যাদের টিউশানি নেই, টাকা নেই, তারা ক্যান্টিনে আধপেটি খেয়েই দিন কাটান।

একদিনের অতিথির চোখে যখন এত সমস্যা, তাহলে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের কি অবস্থা একবার অন্ত:দৃষ্টি দিয়ে চিন্তা করুন?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধনীর দুলাল উপাধি দিয়ে অর্থমন্ত্রী ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে সরকারকে ভ্যাট আরোপের আহব্বান জানিয়েছেন। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দু:খ দুর্দষাগ্রস্থ শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে অর্থমন্ত্রী কেন আজ আলাদা বাজেটের কথা বলছেন না? তারা তো আর প্রাইভেট না পাবলিক!

আমিতো ভেবেছিলাম শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামবেন ‘হল চাই’ না, একটি মানসম্মত ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চাই’ স্লোগানে। যেখানে রাজনীতির নামে বিশ্বজিৎদের খুন হতে হবে না নির্মমভাবে। যেখানে র‌্যাগিং এর নামে চলবে না জুনিয়রদের উপর সিনিয়রদের প্রহসন। থাকবে না কোন দলবাজির মহড়া আর ছোটবোনদের উপর বড়ভাইদের অমূলক প্রস্তাব।

কিন্তু সরকারের কাছে শিক্ষার্থীরা সেই দাবি এখানো করেনি। বলতে হবে পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক। ন্যায় ও অন্যায় বুঝার সময় এখনই। আন্দোলন দীর্ঘায়িত হলে হয়তো আমার বুলিটি ‘হল চাই’ না, একটি মানসম্মত ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চাই’ স্লোগান বের হয়ে যেতে পারে অন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখে।

যখন দীর্ঘদিনেও শিক্ষার্থীদের হল সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আর সরকার কার্যকারি ভূমিকায় পালনে ব্যর্থ, তখন রাস্তায় নামা ছাড়া শিক্ষার্থীদের আর কি পথ থাকে? কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এটা কি চলতেই থাকবে? একটা কিছু হলেই কেন রাস্তা দখল আর ক্লাস বর্জন আন্দোলনের মূল ইস্যু হবে? আবার সেটা দীর্ঘায়িত হওয়ার আগেই সরকারের টনক নড়ে না কেন? শিক্ষার্থীদের সন্তানের মতো কাছে টেনে কথা শোনার সময় কি প্রধানমন্ত্রী আর শিক্ষামন্ত্রীর নাই?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়েছে ১১ বছর আগে, সেহেতু হাজারও সমস্যা থাকবেই। সম্ভবত জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করে সরকার এর মধ্যে হারে হারে উপলব্দি করেছেন যে, বাংলাদেশে আর কোন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা কতটা যৌক্তিক? একটা কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা দেওয়ার পরে শিক্ষা, আবাসন এবং অর্থনৈতিক ভাবে যতটা সাপোর্ট দিতে হয়, তার চেয়ে একটি স্বয়ং সম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা রাষ্ট্রের পক্ষে কঠিন কিছু না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্যে সরকারকেও সময় দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। একদিনে এ সমস্যার সমাধান অসম্ভব। সবাইকে আসতে হবে সমঝোতায়। কিন্তু তার জন্যে কি সারা বছর আন্দোলন করতে হবে? রাস্তা বন্ধ করে, জনদুভোর্গ সৃষ্টি করা সুস্থ আন্দোলনের পরিপন্থি। আন্দোলনেই মাস কাটালে আপনারা পড়বেন কখন? আন্দোলনের সাথে সাথে পড়াশোনার পর্বটাও চালু রাখুন। ক্লাস বন্ধ করে যে আন্দোলন করেন, ভেবে দেখেছেন তাতে আপনারই পিছিয়ে যাবেন। অনেকে পিছিয়ে যাবেন সামনের বিসিএসটি না ধরতে পারলে। প্রতিযোগিতার সময়ে নিশ্চয় এমন ক্ষতি আপনারা চান না। তাই আন্দোলনের পাশাপাশি অন্তত ক্লাসটি চালিয়ে যান আপনারা।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৩ মাস ১২ দিন রাজপথে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে দাবি আদায় করেছে। তাদের আন্দোলনও চলেছে, ক্লাশ পরীক্ষাও চলেছে। ২৬ আগষ্ট প্রথম আলোতে আনিসুল হক স্যার লেখেছেন ‘ভাবছি সুন্দর নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে আমলে নেওয়ার সংস্কৃতি কবে এই দেশে চালু হবে। যেমনটা হয়েছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনের সময়’।

আন্দোলন হোক যৌক্তিক, সুস্থ, শৃঙ্খল ও নিয়মতান্ত্রিক। যে কোন যৌক্তিক, সুস্থ, শৃঙ্খল ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন আমলে নিতে সরকারের আপত্তি থাকবে না আশা করি।

আরিফ চৌধুরী শুভ.
শিক্ষার্থী স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
উদ্যোগতা ও সংগঠক. নো ভ্যাট অন এডুকেশন।
সাংবাদিক ও লেখক

ঢাকা, ২৮ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন