[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



শাবি শিক্ষার্থীরা জানে না হল ত্যাগের সিদ্ধান্ত হয়েছে!


প্রকাশিত: September 2, 2016 , 1:27 am | বিভাগ: আপডেট,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,সিলেটের ক্যাম্পাস


sust-live

শাবি লাইভ : শিক্ষার্থীরা তখন ক্লাসে মগ্ন। অন্যদিকে হল খালির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবস্থান করছেন এমন অনেক শিক্ষার্থীই জানেন না হল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

ক্লাস থেকে হলে ফিরে ব্যাগ গুছানোর সময়টুকুও হয়নি শিক্ষার্থীদের। ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে হল। শুধু তাই নয় সময়মতো হল ত্যাগ করতে না পারায় প্রশাসনের রক্তচক্ষু দেখেছেন শিক্ষার্থীরা। বন্ধ করে দেয়া হয় বিদ্যুৎ ও পানির লাইন। এমনকি দরজায় লাথি মেরে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তারা কোথায় যাবেন তার কোন ব্যবস্থা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

হল প্রশাসনের এমন খামখেয়ালি তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় ক্লাস চলাকালীন রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস নোটিশে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। ক্লাস-পরীক্ষা চলায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই বিকেলের দিকে নোটিশ সম্পর্কে অবহিত হন। এতে হল ত্যাগে দেরি হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন সহকারি প্রভোস্টরা।

এদিকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ক্লাস চলায় হল ত্যাগের জন্য শিক্ষার্থীরা মূলত এক ঘন্টা পান। ফলে ব্যাগ গুছাতে স্বাভাবিকভাবে দেরি হওয়ায় সন্ধ্যা ৬ টার পূর্বেই শাহপরান হলের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় হল প্রশাসন। একপর্যায়ে কাপড় গুছানোর জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার অনুরোধ করলে পুনরায় সহকারি প্রভোস্ট প্লাবন চন্দ্র সাহা, ওমর ফারুক ও জাভেদ কায়সার শিক্ষার্থীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ বিষয়ে প্লাবন চন্দ্র সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন ক্যাম্পাস থেকে ক্লাস করে ফিরতে না ফিরতেই আমাদের হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। ব্যাগ গুছাতে না গুছাতেই পানি ও বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এটা কেমন নিয়ম। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা বিকেল ৪ টায় শুরু হয়ে চলে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত। কিন্তু ওই বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ কোন বিবেচনা করেনি হল প্রশাসন। ফলে বিভাগের অধিকাংশ আবাসিক শিক্ষার্থী হল থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসতে পারেননি।

ঢাকা, ০২ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন

Tags: