[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ দৃশ্যমান


প্রকাশিত: September 5, 2016 , 4:14 pm | বিভাগ: আইটি


polok-3

আইটি লাইভ: ডিজিটাল বাংলাদেশ এক সময় স্বপ্নের মতো মনে হতো। আজ তা বাস্তব। এরই মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ আইসিটি অবকাঠামো সৃষ্টি, শিল্পের বিকাশ, জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করাসহ সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে।

প্রতিবেদক: প্রযুক্তিকে সাধারণের নাগালের মধ্যে আনতে আপনার পরিকল্পনা কী?

জুনাইদ আহমেদ পলক: ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের ইতিহাসে শুধু একটি দিনই নয়, একটি নতুন স্বপ্নের যাত্রাও বটে। ওই যাত্রা হলো বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা। এদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তথ্যপ্রযুক্তির সময়োপযোগী, কার্যকর ও যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ‘রূপকল্প-২০২১’ নামের দীর্ঘমেয়াদি এক স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন; দিয়েছিলেন ওই স্বপ্ন বাস্তবায়নের বাস্তবধর্মী নির্দেশনাও।

সারা পৃথিবীতে প্রায় সব দেশ তাদের প্রযুক্তিযজ্ঞ শুরু করেছিল শহর থেকে। ধীরে ধীরে প্রান্তিক পর্যায়ে বিস্তৃত করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম। আমাদের প্রযুক্তিকেন্দ্রিক যাত্রায় শহর-গ্রামে কোনো বৈষম্য নেই। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আইসিটি ডিভিশন এরই মধ্যে বাংলাদেশের সব জেলা-উপজেলাকে উচ্চগতির ফাইবার অপটিক ক্যাবলের আওতায় এনেছে।

২০১৭ সালের মধ্যে ইউনিয়নগুলোও ফাইবার অপটিক ক্যাবলের আওতায় আসবে। এছাড়া সারা দেশে ২ হাজার ১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। আরও ৯০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে।

প্রতিবেদক: হাইটেক পার্ক বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আপনার বিশেষ অবদান আছে। এটি আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় একজন তরুণ প্রযুক্তিবিদ। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে তিনি একটি হাইটেক পার্ক পরিদর্শন করানোর মাধ্যমে বাংলাদেশেও একটি হাইটেক পার্ক গড়ে তোলার স্বপ্ন বুনে দিয়েছিলেন।

এরপর ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ বোর্ডের ১২তম সভায় কালিয়কৈর হাইটেক পার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, চারদলীয় জোট এ পার্ক নির্মাণে কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করেনি। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আবারও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ গঠন করে। এ কর্তৃপক্ষকে হাইটেক পার্ক, সফটও্যার টেকনোলজি পার্ক, আইটি ভিলেজ নির্মাণের জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ফলে এসব পার্ক নির্মাণের কাজে গতি আসে।

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কারণে কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক স্থাপন এবং কারওয়ানবাজারে অবস্থিত জনতা টাওয়ারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক সচলকরণ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছিল। কিন্তু আমরা বসে না থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক এবং জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক চালু করতে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ গ্রহণ করি। এ উদ্যোগে সফলতা আসে। আদালত আইসিটি ডিভিশনের পক্ষে রায় দেন।

এরই মধ্যে কালিয়াকৈরে ২৩২ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৮ মে ২ ও ৫নং ব্লকে সামিট টেকনোপলিস লিমিটেড এবং ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট ৩নং ব্লকের অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেকনোসিটি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।

বর্তমানে কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির ৩নং ব্লকে একটি মাল্টিটেন্যান্ট বিল্ডিং নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে এবং ২নং ব্লকে একটি মাল্টিটেন্যান্ট ও ৫নং ব্লকে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। পিপিপি মডেলে নির্মিত এ হাইটেক সিটিতে সরকারের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে মৌলিক অবকাঠামো তথা অভ্যন্তরীণ রাস্তা, বিকল্প রাস্তা, সড়ক বাতি, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ইত্যাদি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়াও যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের কাজ এরই মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। জনতা টাওয়ারের ১২ তলাবিশিষ্ট সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক চালু করা হয়েছে; আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে স্পেস বরাদ্দ করা হয়েছে।

ভবনের চতুর্থ তলায় ৫০টি কোম্পানিকে ১ বছরের জন্য বিনামূল্যে স্পেস বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি, চট্টগ্রামে হাইটেক পার্ক, রাজশাহীতে বরেন্দ্র সিলিকন সিটি, মহাখালীতে আইটি ভিলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সিলেটে ইলেকট্রনিক সিটি স্থাপন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

সাত বিভাগে সাতটি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের আওতায় নাটোরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের বাইরেও সারা দেশে ১২ জেলায় আরও ১২টি আইটি পার্ক স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আমি বলব, এসব কাজের জন্য যতটুকু কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রাপ্তি, তার সবটুকুই প্রধানমন্ত্রী ও তার আইসিটি-বিষয়ক উপদেষ্টার পাওয়া উচিত।

প্রতিবেদক: বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ফ্রিল্যান্সারের দেশ বাংলাদেশ। এ ফ্রিল্যান্সারের কাজের পরিবেশ তৈরিতে আপনারা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন বা এ বিষয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?

জুনাইদ আহমেদ পলক: বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিংয়ে সারা বিশ্বে তৃতীয়। আমাদের তরুণ-তরুণীরা অত্যন্ত মেধাবী। তারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের সক্ষমতাকে বৈশ্বিক লেভেলে নিয়ে গেছে। তথ্যপ্রযুক্তি এতই পরিবর্তনশীল যে,

তাদের প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ব্যবস্থাপনার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হচ্ছে। ফলে তাদের বিদ্যমান দক্ষতাকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে সরকার লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৫ হাজার তরুণ-তরুণীর ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এরই মধ্যে ২০ হাজার জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। তাছাড়া বাড়ি বসে বড়লোক কর্মসূচির অধীনে ১৪ হাজার ৭৫০ ফ্রিল্যান্সারকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, যাদের ৭০ শতাংশই নারী।

ফ্রিল্যান্সারদের অনেক দিনের দাবি, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যালকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের নেতৃত্বে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এ বিষয়ে কাজ করছি। পেপ্যালও বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। আশা করি আমাদের ফ্রিল্যান্সাররা শিগগিরই সুসংবাদ পাবেন।

প্রতিবেদক: দেশের ৬৪ জেলার ১ লাখ গ্রামীণ নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে আপনার।

জুনাইদ আহমেদ পলক: আমরা বিশ্বাস করি, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন ছাড়া সুষম ও টেকসই উন্নয়ন যেমন সম্ভব নয়, তেমনি অর্থনীতির ভিত মজবুত করতে গ্রামীণ নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা খুবই জরুরি। এজন্য সরকার কাজ করছে। একটি বাড়ি একটি খামার থেকে শুরু করে স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে চলেছে।

কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, গ্রামীণ নারীরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের যথাযথ মূল্য পাচ্ছেন না। এ সমস্যা সমাধানে এবং ই-কমার্স খাতকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে ই-শপ নামে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। এর মাধ্যমে ১ হাজার গ্রামীণ নারী-পুরুষকে আমরা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলব। তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন ও তৃণমূল পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দিতে আইসিটি ডিভিশন ২০২১ সালের মধ্যে ৩০ হাজার তথ্যকল্যাণী গড়ে তোলার মাধ্যমে ৩০ হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টির প্রয়াস গ্রহণ করেছে।

এভাবে নানা ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২১ সাল নাগাদ ১ লাখ গ্রামীণ নারীকে আমরা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি।

প্রতিবেদক: সাড়ে ৭ বছরে আইসিটি বিভাগের সফলতা কী?

জুনাইদ আহমেদ পলক: বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই বিগত সাড়ে ৭ বছরে অনেকগুলো কাজ এবং এসব কাজের অনেকগুলো পর্যায় আমাদের অতিক্রম করতে হয়েছে। আমার দৃষ্টিতে, শূন্য হাতে শুরু করা এ ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ দৃশ্যমান।

দেশে-বিদেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য ও বাস্তবতা। আগামীতে এর সুফল ভোগ করবে দেশ ও দেশের মানুষ, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম। তাই বলা যায়, ডিজিটাল বাংলাদেশ সাড়ে ৭ বছরে অবশ্যই সফল, যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আইসিটি বিভাগের সংশ্লিষ্টতা আছে।

প্রতিবেদক: ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা বলুন।

জুনাইদ আহমেদ পলক: এ কাজটা রোমাঞ্চকর এবং চ্যালেঞ্জিং। রোমাঞ্চকর এজন্যই, প্রতিদিন নতুন নতুন কাজ করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে; প্রযুক্তিতেও প্রতিদিন নতুন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে। পুরনো অনেক পণ্য ও সেবাকে আধুনিকতর করতে হচ্ছে।

আবার দেশীয় আইটি উদ্যোক্তাকে আরও এগিয়ে নিতে নিত্যনতুন পন্থা অবলম্বন করতে হচ্ছে। এসব নিয়ে ভাবা ও কাজ করা সত্যিই রোমাঞ্চকর; চ্যালেঞ্জিংও বটে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কারও বেশ চ্যালেঞ্জিং।

প্রতিবেদক: উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কতটা প্রযুক্তিনির্ভর?

জুনাইদ আহমেদ পলক: বাংলাদেশে অনলাইনে ট্যাক্স প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যাবতীয় কার্যক্রম, ট্রেন-বাসের টিকিট ক্রয়, জমির পর্চা নেয়া ইত্যাদি অতিপ্রয়োজনীয় সেবা এখন অনলাইনেই নেয়া যাচ্ছে।

এছাড়া কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাইবার নিরাপত্তা, পুলিশি সহায়তা, মাদকবিরোধী তথ্যসহ জীবন ও জীবিকার তথ্য জানতে সরকারি প্রায় সব প্রতিষ্ঠান কল সেন্টার সেবা দিচ্ছে। প্রায় প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসন ও নেতাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন।

প্রতিবেদক: ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আইসিটি বিভাগের জন্য যে বাজেট রাখা হয়েছে, তা পর্যাপ্ত?

জুনাইদ আহমেদ পলক: সার্বিকভাবে বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৮ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা, যা গেল অর্থবছরে ছিল মাত্র ৬ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। ফলে সার্বিকভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ৩৬ শতাংশ। গেল ২ বছরেই আইসিটি ডিভিশন ১০০ শতাংশের উপরে বাজেট বাস্তবায়ন করে। তাই প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনায় অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেটে আইসিটি ডিভিশনের অর্থ সংস্থান বাড়িয়ে দিয়েছেন।

প্রতিবেদক: আইসিটি বিভাগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

জুনাইদ আহমেদ পলক: এক কথায় আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো, সুলভ মূল্যে নিরাপদ সরকারি সেবা জনগণের কাছে সহজলভ্য করা এবং তথ্যপ্রযুক্তির আগামীর বিশ্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সম্ভব সব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা।

ঢাকা // ৫ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// আইএইচ