[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



রমেকে র‌্যাগিংয়ে অজ্ঞান ২ ছাত্রী : ১৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর শাস্তি


প্রকাশিত: September 7, 2016 , 10:19 am | বিভাগ: আপডেট,মেডিকেল কলেজ,রংপুরের ক্যাম্পাস


tourcher-live

রংপুর লাইভ : রংপুর মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে র‌্যাগিংয়ের নামে ৩ ছাত্রীকে নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে। এঘটনায় ১৬জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শাস্তিপ্রাপ্তরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

এদের মধ্যে আশা, মার্জিয়া ও মুমুর হোস্টেলের সিট বাতিলসহ ৩ টার্মের জন্য তাদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। তন্বী, কেয়া ও প্রজ্ঞার হোস্টেলের সিট বাতিলসহ ২ টার্মের জন্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ৪ জনের ১ টার্মের জন্য পরীক্ষা স্থগিত এবং ৬ জনকে সতর্ক করা হয়েছে।

সোমবার তদন্ত কমিটি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে ১৬ জন ছাত্রীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, রংপুর মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে ছাত্রলীগ নেত্রীরা র‌্যাগিংয়ের নামে তিন ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালায়। ২৯ আগস্ট গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রীর জন্য তার সহপাঠী এক ছাত্রী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে দোয়া প্রার্থনা করে। আতংকে অনেক ছাত্রী হোস্টেল ছেড়ে নগরীর বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আশ্রয় নেয়।

নির্যাতিত তিন ছাত্রীকে আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে প্রশাসনের টনক নড়ে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

রংপুর মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ছাত্রলীগ নেত্রী আশা, মার্জিয়া এবং মুমুর নেতৃত্বে তন্বী, প্রজ্ঞা ও কেয়াসহ বেশ কয়েকজন কলেজের ৪৪তম ব্যাচের দুই ছাত্রীর ওপর গভীর রাত পর্যন্ত নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার দুই ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়ে।

এরপর তার সহপাঠীরা আশংকাজনক অবস্থায় নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার ও পুনমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ওই ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রীর জন্য তার সহপাঠী আনিকা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে দোয়া প্রার্থনা করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগ নেত্রী আশা ও মুমুর নেতৃত্বে হলের ছাত্রলীগ নেত্রীরা আনিকার রুমে গিয়ে তার বেড, চেয়ার, টেবিলসহ সব আসবাব ভাংচুর করে।

আনিকাকে মারধর করলে সে গুরুতর আহত হলে তাকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

কমিটির প্রধান ছিলেন, গ্যাস্ট্রোঅ্যাপরোলোজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. নুর ইসলাম।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা হলে ওই দিন একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সঙ্গে ১৬ জন ছাত্রীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। সভায় তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।

 

 

ঢাকা, ০৭ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন