[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



সাতক্ষীরায় শিশু ও তারুণ্যের উচ্ছাস


প্রকাশিত: September 15, 2016 , 11:01 pm | বিভাগ: ট্যুরিজম এন্ড এনভায়রনমেন্ট,ফিচার


calture3

আব্দুর রহমান,সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা বিনোদন কেন্দ্র ও সিনেমা হলগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই। ঈদের ছুটিতে সাতক্ষীরার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পরিবার-পরিজন নিয়ে সকল শ্রেণি পেশার হাজারও মানুষের পদচারণায় মুখোরিত হয়ে উঠেছে। সকল বয়সের মানুষের পাশাপাশি তরুণদের মাঝে বেশী উচ্ছ¡াস দেখা গেছে। অনেকে তুলছেন ছবি তুলছেন কেউ আবার সময়ের জনপ্রিয় সেলফি তুলতে ভুলেননি।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি সিনেমাহলগুলোতে দর্শকের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। সারা বছর হাজার ব্যবস্তায় একটু যেন হাফ ছেড়ে বাঁচা, প্রকৃতির মাঝে গা এলিয়ে দেওয়া। অনেকে আবার সবুজ অরণ্য বনে ঘুরতে ভালোবাসেন তারা গেছেন সুন্দরবনে। তরুণদের ঈদের খুশি, ঈদের আনন্দ বয়ে বেড়াতে দেখা গেছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। শিশুদের পাশাপাশি বড়দেরও যেন মনে শান্তির সুবাতাস বইছে, যেন ফিরে পেয়েছেন সোনালি অতীত।

সকল বয়সের মানুষের পদচারণনায় মুখোরিত সাতক্ষীরা সুন্দরবনের কলাগাছিয়া, শহরের আব্দুর রাজ্জাক পার্ক, মোজাফ্ফর গার্ডেন, আকাশলীনা ইকো-ট্যুরিজম, উড়াল উড়াল মন ট্যুরিজম, কারামোরা ম্যানগ্রোভ ভিলেজ, লিমপিড গার্ডেন, ঐতিহাসিক বনবিবি তলা (বটগাছ), রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যাটন কেন্দ্র, সীমান্তের ইছামতি নদীর তীরে টাকির ঘাট, শ্যামনগর জমিদার বাড়ি, নলতা রওজা শরীফসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোও সেজেছে নবরূপে। সব বয়সী মানুষের ভিড় জমলেও সিংহভাগ দখল করে রাখে শিশুরা ও তরুণরা।

সব এলাকায় দেখা গেছে একই চিত্র। মা-বাবার হাত ধরে, কেউবা ভাই-বোন, আতœীয় স্বজনের হাত ধরে ঘুরছে। শুধু শিশুরাই নয়, শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যাচ্ছেন আনন্দের রাজ্যে।
গ্রাম থেকে শহর ছুটে বেড়াচ্ছে শিশু ও তরুণরা। ছোট ছোট পিকআপ ভাড়া করে লাউডস্পিকারে বক্স লাগিয়ে বিভিন্ন গান-বাজনা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে তরুণরা। সীমান্তের ইছামতির নদীর তীর বা ভোমরা স্থলবন্দরেও মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

অনেকে পরিবার-পরিজন সাথে নিয়ে মাইক্রোবাস বা মোটরসাইকেলে হাজার হাজার মানুষ আসছেন এসব এলাকায়। সঙ্গে এনেছেন পরিবার-বন্ধু-স্বজন বা শুভাকাক্ষীদের। তুলছেন ছবি, তুলছেন সেলফি।

c center sat2

মোজাফ্ফর গার্ডেনে ঘুরেতে আসা রফিকুল ইসলাম নামে একজন বলেন, ঈদের দিন ঘুরতে পারিনি তো কি হয়েছে। আজ পরিবার নিয়ে ঘুরতে এলাম অনেক ভালো লাগছে।

সুন্দরবন সংলগ্ন আকাশলীনায় ঘুরতে আসা রোকেয়া খাতুন বলেন, আমরা ঢাকায় থাকি এজন্য গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে এলে পরিবারসহ সুন্দরবন থেকে বেড়িয়ে যায়। সুন্দরবন আমাদের খুব টানে। আজ ঈদের পরদিন বিভিন্ন স্থান ঘুরে বেড়াচ্ছি। খুব ভাল লাগছে।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, সাতক্ষীরা জেলার মানুষ যারা বাহিরে থাকে তারা সকলে নাড়িরটানে নিজ এলাকায় ফিরেছেন। অনেকে ঈদের দিন বেড়িয়েছেন অনেক কোরবানি দিতে গিয়ে বের হতে পারেননি।

তারাও জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এজন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোর কোথাও যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

 

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএম