[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



পুনর্নিরীক্ষণে ২ হাজার ৫শ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন


প্রকাশিত: September 18, 2016 , 2:10 pm | বিভাগ: আদার ইন্সটিটিউট,আপডেট


Exam

লাইভ প্রতিবেদক: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ ১০ বোর্ডে এবার প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুনর্নিরীক্ষণে প্রত্যেকের ফলই আগের তুলনায় ভালো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি এক হাজার ৯ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এই বোর্ডে নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১৫ জন এবং ফেল করা থেকে পাস করেছে ২০৪ জন পরীক্ষার্থী।

জানা যায়, এবারই সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল। এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছিল আট লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ জন এবং জিপিএ ৫ পায় ৫৮ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে তিন লাখ ৩৩ হাজার ৩২২টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৪০ হাজার, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৫ হাজার, রাজশাহী বোর্ডে ৪০ হাজার, কুমিল্লা বোর্ডে ৩২ হাজার, যশোর বোর্ডে ৩১ হাজার, সিলেট বোর্ডে ১৭ হাজার, বরিশাল বোর্ডে সাড়ে ১৯ হাজার, দিনাজপুর বোর্ডে সাড়ে ২৭ হাজার, মাদ্রাসা বোর্ডে ১২ হাজারের মতো উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৩২৮ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৯ জন। এ ছাড়া ফেল করা থেকে পাস করেছে ৮৬ জন। যশোর বোর্ডে ফল পরিবর্তন হয়েছে ১৪৩ জনের। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪১ জন। আর ফেল করা ৩৯ জন পাস করেছে। বরিশাল বোর্ডে ৭৮ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে দুজন এবং ফেল করা থেকে পাস করেছে ৩০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে ফল পরিবর্তন হয়েছে ১০৫ জনের। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে আটজন এবং ফেল থেকে পাস করেছে ৩৯ জন পরীক্ষার্থী।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষা করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল পাওয়া গেছে বৃত্ত ভরাটে। দেখা গেছে, একজন ৮৫ পেয়েছে, সেখানে উল্টো ৫৮ বৃত্ত ভরাট করা হয়েছে। আবার একজন ১৩টি প্রশ্নের উত্তর দিলেও একটির উত্তরের নম্বর মোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হয়নি।

বোর্ড সূত্র জানায়, যেসব পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকের খাতা মূল্যায়নে ভুল হয়েছে, তাঁদের এক বছর খাতা মূল্যায়ন, প্রশ্নপত্র করা, মডারেশনসহ শিক্ষা বোর্ডের আর্থিক সুবিধার সব কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। কোনো পরীক্ষক যদি দ্বিতীয়বার ভুল করেন, তাহলে পাঁচ বছর তাঁকে বোর্ডের আর্থিক সুবিধার কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা হবে।’
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//আইএইচ