[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



কেমন কাটল সব্যসাচী দম্পত্তির জীবন


প্রকাশিত: September 28, 2016 , 9:50 am | বিভাগ: আপডেট,আর্টস এন্ড লিটারেচার,গেস্ট কলাম


syed anwara h+cl

আনোয়ারা সৈয়দ হক: মাঝে মাঝে ভাবি কেমন কাটল আমাদের জীবন। এত ঝড়-ঝাপ্টা হৈচৈ ওলট-পালট দেশ-বিদেশ, ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, তিরিশ লক্ষ বাঙালির মৃত্যু, বিদেশে নিকটাত্মীয়ের হঠাৎ মৃত্যু, অচেনা আততায়ীর হাতে জীবনাবসান, নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনেও কত উথাল-পাথাল, কত দুঃখ-কষ্ট, কত মনোবেদনা, নানাবিধ সামাজিক আসর বা আড্ডায়, মানুষের মুখরোচক গল্পের খোরাক হওয়ার দুর্ভাগ্য অর্জন, জীবনের ঘাটে ঘাটে কত নাটকীয়তা, কত ঘটনা, কত অবক্ষয়ী সংগ্রাম, মানুষের হিংস্রতার আঁচড়ে কতবার ক্ষতবিক্ষত হওয়া, তবু কেমন কাটল জীবন এবং আমাদের এই যুগল জীবন?

এই বয়সে দাঁড়িয়ে এটা একটা প্রশ্ন হতে পারে বটে।

বহুদিন আগে একবার কোথায় যেন লিখেছিলাম, আমাদের মাথাভর্তি মেঘ। সেই মেঘেরা আমাদের উড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আমাদের অস্থির করে রাখে। আমরা টালমাটাল হই। আবার সবকিছু স্থির হয়ে যায়। বৃষ্টিপাত হয়, অশ্রুপাত হয়, রক্তক্ষয় হয়, আয়ুক্ষয় হয়, তারপর আবার আমরা মাথাভর্তি মেঘ নিয়ে উড়ে বেড়াই বাতাসে বাতাসে। কখনোই থেমে যাই না, যদিও পরিবেশে অনেকেই আমাদের থামিয়ে দেওয়ার জন্য বৈরিতার সৃষ্টি করে, ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে, হিংসা, বিদ্রূপ, কাদা ছোড়াছুড়ি হয়, সকলের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বক্তারা চরিত্র হননের হোলিখেলায় মেতে ওঠে, বেনামি চিঠিতে তার প্রতিভাদীপ্ত সাহিত্য জগৎটিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার স্পর্ধা দেখায়, চেনা মানুষেরাই আমাকে গোপন চিঠি লিখে তাকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে, কিন্তু দিনের শেষে আবার যখন আমরা নিজেদের বিছানায় পা তুলে বসি এবং বিনুনির বাঁধন থেকে খুলে ফেলি নিজেদের জীবন এবং ছড়িয়ে দিই বিছানার চারপাশে, তখন বেলি ফুলের গন্ধ ভেসে আসে, তখন কান্নাগুলো মুক্তোর দানা হয়ে যায়, তখন ভুল বোঝাবুঝিও কত সুন্দর হয়ে ঘরের মেঝেয় ঘুরপাক খায়।

তখন আমরা রবিঠাকুরের কথা ভাবি। তাঁর জীবদ্দশায় তাঁকে কাদা মাখাবার জন্য তখনকার সমাজের মানুষের কথা ভাবি। তবু তাঁর অবিশ্রাম সংগ্রামের কথা ভাবি। আমরা মনে সাহস পাই।

এই হচ্ছে আমাদের ঘূর্ণিঝড়ের মতো দাম্পত্য জীবনের ছবি। এবং আমি বাজি রেখে বলতে পারি এ রকম জীবন আমাদের প্রায় সকলেরই। সেখানে সাহিত্য থাক বা না থাক, কবিতা থাক বা না থাক, নাটক থাক বা না থাক। পার্থক্যটা হচ্ছে কেউ স্বীকার করে আর কেউ স্বীকার করে না।

দু’জনেই এক বিশাল সংসারের দায়িত্ব সারাটা জীবন বহন করে বেড়িয়েছি, এখনও বেড়াচ্ছি, এই ঝঞ্ঝাসঙ্কুল সংসারে এমন কেউ নেই যার কাছে গিয়ে হাত পেতে দাঁড়াতে পারি, বা দুটো পরামর্শ পেতে পারি। যা কিছু হয়েছে সব নিজেদের সামর্থ্যে করতে হয়েছে, এখনও হচ্ছে। কিন্তু আমরা দমে যাইনি। সকলের বোঝা নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়ে পথ চলেছি। কেউ যেচে এসে সামান্য সাহায্য করার মনোবৃত্তি দেখায়নি, আরও হাত পেতে দাঁড়িয়েছে। তবে পরিশ্রমী মানুষ আমরা, এতেও আমাদের কোনো কষ্ট বা দুর্দশা হওয়ার ছিল না, যদি একটু হিসাব করে দু’জনে পথ চলতাম। কিন্তু সেভাবে চলতে পারিনি, কোনোদিন চলতে পারিনি। কারণ আমাদের মাথা ভর্তি হয়ে আছে মেঘ দিয়ে। এই মেঘ শুধু অবাস্তবের হাতছানি দিয়ে কাছে ডাকে। তাই একটি দায়িত্ব শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি দায়িত্ব তার কাঁধে এসে জোটে। এবং তিনি সেটা পাশ কাটিয়ে যেতে পারেন না। তবু পারিবারিক দায়িত্ব পালন করতে তিনি যে অক্ষম, তিনি যে আনাড়ি, তিনি যে স্বার্থপর, সর্বদা নিজের সাহিত্য ছাড়া আর কোনো পারিবারিক দায়িত্বের কথা ভাবেন না, এমনতর অভিযোগ কাঁধে নিয়েই তাকে জীবনের পথ চলতে হয়।

syed samsul h +cl

এর ভেতরেই জীবনের কাজ সব সারতে হয়। এবং এখনও হচ্ছে। মাঝে মাঝে আমাদের যুগল জীবনে এমন একেকটা রাত আসে, যে রাত মনে হয় কোনোদিনও শেষ হবে না, জীবনেও সূর্যের মুখ দেখব না, সারারাত ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকি। কিন্তু রাত শেষ হয়। ভোর আসে। পাখির ডাকে আমাদের উঠোনের গাছগাছালি ভরে যায়।

একবার মনে পড়ে যখন তার হৃদরোগ ধরা পড়ে, তখন আমি ছোট ছোট দুটি ছেলেমেয়ের মা। আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। চোখে অন্ধকার দেখি। মা নেই, বাবা নেই, ভাইয়েরা থেকেও নেই, হাতে টাকা-পয়সা নেই, বাইপাস অপারেশনে তখন মর্টালিটি রেট পাঁচ পার্সেন্ট। আমাদের চোখের সামনে কত মানুষ বাইপাস অপারেশন করার পরপরই মারা গেলেন। কত বড় বড় মানুষ তারা। তাকিয়ে দেখে আমার মন দমে গেল। যেদিন তাকে সঙ্গে করে বিমানে উঠি বিদেশে গিয়ে অপারেশন করাব বলে, সেদিনও আমার হাতে কোনো অর্থ নেই। তার ওপর দুটো ছোট ছোট ছেলেমেয়ে_ ছোট ছোট ভাইবোনকে তদারকে রেখে যাচ্ছি, যেটা অত্যন্ত ঝুঁকির একটি কাজ ছিল, তবু সেটা করতে হয়। প্লেনে সারাটা সময় তীক্ষষ্ট চোখে তার নিঃশ্বাসের ওঠানামা তাকিয়ে দেখছি, তিনি ঘুমোচ্ছেন, কিন্তু আমার চোখে ঘুম নেই, মনে হচ্ছে ঘুমের ভেতরেই তিনি মারা যাবেন। তখনও কত কাগজে এবং কত মানুষ ব্যঙ্গ করে বলেছে এটা নাকি তার ইচ্ছাকৃতভাবে অসুস্থ হওয়া। মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করার একটা ফন্দি। কিন্তু সত্যি যখন তিনি অপারেশন টেবিলে, তখন এসব মানুষেরাই আবার উদ্বিগ্ন হয়ে তার খোঁজখবর করেছেন।

সময়ের অগ্রবর্তী এই মানুষটিকে সবকিছু নিয়ে সম্মুখের দিকে পথ চলতে হয়েছে। অনেক উপহাস ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ সহ্য করতে হয়েছে। ‘খেলারাম খেলে যা’র পর থেকে সামাজিকভাবেও তাকে বয়কট করার চেষ্টা করা হয়েছে। এমন কি তার বাসস্থান নিয়েও কত রকমের হাসি-ঠাট্টা। কিন্তু সবকিছু তিনি একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে জীবনে নিয়েছেন। এমন কি যারা তাকে নিয়ে, তার পোশাক-পরিচ্ছদ নিয়ে, তার ব্যবহার নিয়ে, একদিন ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করেছে, তাদের প্রতিও তার কোনো রাগ নেই। বস্তুত তারা সকলেই তার বন্ধু। আর তারা এমনই বন্ধু যারা জনসমক্ষে, তার পরিবার এবং পরিজনের সম্মুখে, হাতে মাইক নিয়ে, কখনও বা খবরের কাগজে লিখে তাকে হেনস্থা করেছেন, তার ব্যক্তিগত চরিত্র হননের চেষ্টা করেছেন, তাদের প্রতিও তার কোনো রাগ নেই। এমনও অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে যে, যাদের আমি নিজে বন্ধু এবং প্রিয়জন হিসেবে জানতাম, তারাও তাকে আমার সামনে অপমান করার স্পর্ধা দেখিয়েছেন এবং অপমান করেছেন। অথচ তাদের প্রতিও তার কোনো রাগ বা হিংসা আমি লক্ষ্য করিনি।

আশ্চর্যজনক হলেও এটা সত্য যে, কোনোদিন তিনি অবিমিশ্রভাবে কোনো আনন্দ, সুখ বা শান্তি উপভোগ করতে পারেননি, সর্বদাই ল্যাংবোটের মতো তার পেছনে একটা উপসর্গ এসে জুটেছে। ভাগ বসাতে চেয়েছে তার প্রাপ্য ভাগে। অপরের স্বার্থে তিনি বারবার ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং এটা জেনেও তিনি নিজেকে ব্যবহৃত হতে দিয়েছেন। তারা তাকে ব্যবহার করার পরমুহূর্ত থেকে অবহেলা করেছেন, তবু অতিশয় ভদ্র মানুষ তিনি, মুখ ফুটে কোনোদিন প্রতিবাদ পর্যন্ত করেননি। মানুষের দুর্বলতাকেও তিনি স্বাভাবিক এক প্রবণতা হিসেবে চোখে দেখেছেন। বহু মানুষ তার কাছে এসেছেন একেকটা প্রস্তাব নিয়ে। কেউ তার ছবি প্রচ্ছদে ছাপতে চান, কেউ তার নামে লিটল ম্যাগাজিন বের করতে চান, কেউ তাকে নিয়ে অনুষ্ঠান করতে চান, কিন্তু কিছু প্রতিদানের বিনিময়ে, তিনি সারাটা জীবন সযত্নে তাদের পরিহার করেছেন। টাকা দিয়ে কেনা মাহাত্ম্যে তার বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই। ফলে কোনোদিন তাকে নিয়ে এসব বাহ্যিক আড়ম্বরের বিকাশ ঘটেনি।

তার জীবনে যা কিছু এ পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে সবকিছু স্বতঃস্ফূর্তভাবে হয়েছে। সাধারণ মানুষের উপলব্ধি এবং তার প্রতি ভালোবাসার শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে হয়েছে। সাধারণ পথচলতি মানুষের ভেতরেই তিনি বেঁচে থাকার, তার সাহিত্যের বিশাল পরিসরকে বাঁচিয়ে রাখার স্পৃহা খুঁজে পেয়েছেন এবং এর ভেতরেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন বিমল আনন্দ।

এসব পথচলতি মানুষই তাকে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে বেঁচে থাকতে সাহায্য করেছে।

তরুণদের প্রতি তার আস্থা এবং অনুরাগ ঈর্ষা করার মতো। তাদের সাহিত্যচর্চাকে তিনি গম্ভীরতার সঙ্গে নিয়েছেন। তারা ভালো লিখলে সেটা তৎক্ষণাৎ স্বীকার করেছেন। আবার নির্দয়তার সঙ্গে খারাপ সাহিত্যকে বর্জন করেছেন অক্লেশে।

তিনি যখন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলো পেয়েছেন, তার নিকটের কেউ তাকে একবারও অভিনন্দন জানাননি, না টেলিফোনে, না সাক্ষাতে। এ ব্যাপারে তারা সামান্য ভদ্রতাটুকু পর্যন্ত দেখাতে সক্ষম হননি, তারা সর্বদাই এসব পুরস্কারের পেছনে একটা ষড়যন্ত্রের সন্ধান পেয়েছেন। এবং তিনি যে এসব পুরস্কারের উপযুক্ত ব্যক্তি নন, এ ব্যাপারে নিজেদের ভেতরে বলাবলি করেছেন। আবার তারা নিজেরা যখন তাদের কৃতকর্মের শ্রদ্ধার্ঘ্য স্বরূপ এসব পুরস্কার পেয়েছেন, তখন দেশজুড়ে আনন্দ এবং অভিনন্দনের বন্যা বয়ে গেছে। তারা কত না আনন্দিত হয়েছেন।

জীবনে মাত্র একবার বা দু’বার ছাড়া আমি কোনোদিন মানুষের দুর্ব্যবহারে তাকে ভেঙে পড়তে দেখিনি। তার যত কিছু অপমান, অপবাদ, হেনস্থা, আমরা তার পরিবারের মানুষ হিসেবে সেসব ভাগ করে নিয়েছি। হাসি-ঠাট্টা করে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাকে যতদূর সম্ভব সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। একজন সৃজনশীল মানুষ হিসেবে তার কঠোর পরিশ্রমকে আমরা, তার পরিবারের কিছু মানুষ মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেছি, আমরা তাকে ছাড় দিয়েছি প্রচণ্ডভাবে, কারণ আকাশে ওড়া ঘুড়িকে যদি ভেসে বেড়াতে হয়, শূন্যতার ভেতরেও যদি স্পর্শ করতে হয় গভীরের ভেতরের গভীর, বাতাসের তালে তালে যদি দেখাতে হয় রঙবেরঙের নাচ, ভোঁ-কাটা হওয়ার ভয়ে যদি যুদ্ধ করতে হয় আরও অনেক ঘুড়ির সঙ্গে, বৈরী বাতাসে যদি অখণ্ডভাবে মেলে দিতে হয় নিজেকে, ভবিষ্যতের জন্য বড় নির্মমভাবে সিঞ্চিত হতে হয় অভিজ্ঞতায়, দূর নভোমণ্ডলের হাতছানির ইশারাটিকে যদি ধরে রাখতে হয় অস্তিত্বে, তাহলে তার পেছনে অবশ্যই থাকতে হবে মাঞ্জা দেওয়া শক্ত সুতো, নাটাইটিকে হতে হবে শক্ত ও মজবুত, অর্থাৎ তার পেছনে থাকতে হবে তার পরিবার-পরিজনের সমর্থন। তাদের অবিমিশ্র ভালোবাসা। তাদের সাহস এবং বিশ্বাস।

Mahbubul+Alam+Shakil+cl

যার জীবনের উদ্দেশ্য কালকে অতিক্রম করে যাওয়া, পরিবেশের সামান্য হীনমন্যতায় তাকে ভেঙে পড়তে দিলে চলবে কেন?

কখনও মনে হয় এই সেদিনই তো দু’জনে জীবন শুরু করলাম, আর এর ভেতরে এতগুলো বছর চলে গেল কীভাবে? এই সেদিনই তো পড়লাম তার প্রথম জীবনের লেখা তিন পয়সার জোছনা নামে গল্পটি, আর সেই গল্পটি পড়া মাত্র আমার ভেতরে নাগরিক নান্দনিকতা নাড়া খেয়ে উঠল, মন বলে উঠল এই তো সেই! অথচ এর ভেতরেই কতগুলো ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ যুগ পার হয়ে গেল!

আজ তার আশি বছরের জন্মদিন? আরে, আশ্চর্য!

তাহলে মানুষের জীবনের মানে কী এই, চোখের পলক?

দীর্ঘ একটি দাম্পত্য জীবনে এখন এই ভয়ই সবচেয়ে বেশি আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে; আমাদের ভেতরে কে আগে যাবে। আমি, না তিনি? আমি প্রায় বলি, আমি আগে যাব, কারণ তিনি ছাড়া আমি জীবনে প্রায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারিনি; তার বুদ্ধিমত্তা, সাহস, জ্ঞান, সক্ষমতা, আমাদের চারপাশের সকলের চেয়ে বেশি, সকলের চেয়ে প্রশংসনীয়, যা আমার ছিটেফোঁটাও নেই, তাই আমি তার আগে গেলেই নিশ্চিন্ত হই। নাহলে একেবারে আমি ল্যাজেগোবরে হয়ে যাব। কিন্তু তিনি বলেন, না, আমরা দু’জনে একসঙ্গে যাব।

বলা বাহুল্য, এসবই হলো হাসি-ঠাট্টার কথা। কিন্তু একেবারেই কি হাসি-ঠাট্টা? এর ভেতরে কি মানব জীবনের অসহায়ত্ব লুকিয়ে নেই?

তার এই জন্মদিন তাই এক অর্থে আমাদের সকল মানুষেরই জন্মদিন। সকলের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার দিন। ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ ভুলে জীবনের সংকটকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার দিন।

একটি মানুষের জীবনের ইতিকথা তো আদতে সকল মানুষেরই ইতিকথা।

সকল কবি, সাহিত্যিক, শিল্পীর ইতিকথা।

কার্টেসি: কালের খেয়া

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএম