[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



দুলাভাইয়ের কাণ্ড : বেড়াতে নিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে গণধর্ষণ!


প্রকাশিত: October 1, 2016 , 11:54 am | বিভাগ: ক্রাইম এন্ড 'ল,সিলেটের ক্যাম্পাস


সুনামগঞ্জ লাইভ : তাহিরপুরে চাচাত বোনের বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে এক কিশোরীকে বিদ্যালয়ের সামনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই কিশোরীর দুলাভাই ও তার সহযোগীরা এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে।

তাহিরপুরের বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদাঘাট বাণিজ্যিক কেন্দ্রের বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে হাওরের এক পতিতালয়ে সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে ওই কিশোরীকে গ্রাম্য সালিশের নামে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে চিকিৎসা নিতে দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া কোনো আইনি সহায়তা নিতে দিচ্ছে না ধর্ষকরা।

তবে তাহিরপুর থানার ওসি মো. শহীদুল্লাহ জানান, কিশোরীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

জানা গেছে, উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের পিতৃহীন ওই কিশোরীকে সোমবার তার চাচাত বোনের বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে বাদাঘাটের কুনাট গ্রামে তার স্বামী আলমাসের বাড়িতে নিয়ে আসে।

ওই দিন রাতে আলমাস ওই কিশোরীকে নতুন জামাকাপড় কিনে দেয়ার কথা বলে বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের হাওরে থাকা একটি চিহ্নিত পতিতালয়ে নিয়ে যায়।

রাতে ভগ্নিপতি আলমাসসহ কমপক্ষে ছয়জন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে রক্তক্ষরণ হয়ে কিশোরীটি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে।

বুধবার রাতেও ভয়-ভীতি দেখিয়ে আটকে রেখে দ্বিতীয় দফায় গণধর্ষণ করে ওই ছয়জন। পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরবেলা ওই পতিতালয় থেকে পালিয়ে কিশোরী পার্শ্ববর্তী ঘাগড়া গ্রামে তার এক চাচার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

স্বজনদের কাছে গণধর্ষণের কথা জানালে ভগ্নিপতি আলমাস, তার সহোদর আক্তার ও রতনসহ ধর্ষকরা গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য চাপ দেয়।

শুক্রবার সকালে ওই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে চাইলেও বাধা দেয় তারা। এমনকি থানায় অভিযোগ না করতে হুমকি দেয়।

বাদাঘাট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য রেনু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আলমাস আমার কাছে এসেছিল।’

ঢাকা, ০১ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)/জেএন