[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



জার্নি টু বিবিএ


প্রকাশিত: October 10, 2016 , 8:38 pm | বিভাগ: স্টাডি


STUDY+CL+BD

হুমায়ুন আহমেদ: কলেজ জীবনের রঙ্গিন দিন গুলো শেষ হতে না হতেই “বিশ্ববিদ্যালয়” নামক অসীম জ্ঞান ভান্ডারের হাতছানি। অনেক জল্পনা-কল্পনায় আঁকা পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়। সাথে মিশে থাকা ভবিষ্যৎ জীনবকে ঢেলে সাজাবার একাগ্রচিত্ত। তথ্য প্রষুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সাথে বর্তমান ব্যবসা বাণিজ্যের বিস্তারও ব্যাপক। যার ফলে ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থীদের চাহিদাটা চাকরি বাজারে ক্রমবর্ধমান।

বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর স্নাতক শ্রেণীর বিষয় পছন্দের প্রথম সারিতেই থাকে BBA করে MBA করার চিন্তা। BA বা BSC শেষ করে MBA করছে এমন শিক্ষার্থীও নেহায়াত কম নয়। সার্বিক দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে ব্যবসায় শাখা থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার ভাবনাটা যথেষ্ট যৌক্তিক ও যুগপোযোগী।

দেশে বর্তমানে সর্বমোট ৩৭ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যার মধ্যে ২১ টির মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাবসায় শাখায় পড়ার সুযোগ অাছে। বর্তব্যমানে ব্যবসায় শাখায় প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার আসনে ভর্তির সুযোগ রয়েছে যা আবেদনের তুলনায় বেশ কম।

ফলস্রুতিতে এ শাখায় ভর্তির লড়াইটাও যথেষ্ট শক্তিশালী। এ বছর এইচ.এস.সি- তে ব্যবসায় শাখা থেকে GPA-5 পেয়েছে ৪৭৩১ জন। কিন্তু অন্য শাখা এবং কোটা মিলিয়ে কিছু আসন সংরক্ষিত থাকে। আবার যারা এ প্লাস পেয়েছেন শুধু তারাই যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে এমনটাও নয়।

এবার আপনিই হিসেব করুন ভর্তি পরীক্ষার লড়াইটা কেমন হবে। মেধা তালিকায় নিজের আসন নিশ্চিত করতে যথেষ্ঠ অধ্যাবসায় ও মৌলিক বিষয়গুলোতে ভাল ধারনা থাকাটা অতাবশ্যক। আপনি যদি নিয়মিত পড়াশোনা করেন তবে হতাশ হবার কিছু নেই।

নিয়ম মেনে স্ট্যাডি করেলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে BBA-তে ভর্তির সুযোগ পাওয়া সম্ভব। কখনোই ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন কারী সকল ছাত্র-ছাত্রী সাথে আপনার প্রতিযোগীতা হবে না প্রতিযেগীতা হবে ৫ থেকে ৭ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে।

আবার যারা A+পেয়েছেন শুধু তারাই যে চান্স পাবেন এমনটাও ঠিক নয়। ভর্তির সুযোগ প্রাপ্তের অনেকেরই SSC বা HSC কোনটাতেই A+ নেই, এমনও ঘটবে। ( কোনটাতেই যদি A+ না থাকে) এ থেকে আপনার চান্স পাবার আশাটা অনেক বেড়ে গেল!

হ্যাঁ, আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। নিজেকে বোঝাতে হবে, BBA – তে একটা ছাত্র পড়ার সুযোগ পেলে সেটা আমিই হব। প্রস্তুতিটাও সেরকমই হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ব্যবসায় শাখার ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ভিন্ন হলেও বাংলা, ইংরেজী, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন, মানসিক দক্ষতা থেকে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্ন হয়ে থাকে।

এদের প্রত্যেকটির জন্য বাজারে একাধিক বই রয়েছে। মূল বইয়ের কোন বিকল্প নেই। পাশা পাশি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের অাদ্যোপান্ত বুঝে নিতে সহায়তা করবে গাইড বইগুলো। বাজারে বিভিন্ন লেখকের ভর্তি গাইডগুলোর একটার সাথে অন্যটার বেশি ফারাক নেই।

মোটামুটি একই ধরনের তথ্য দেয়া থাকে, টপিক অনুসারে চার-পাঁচটা প্রশ্ন ভিন্ন হতে পারে। তাই সম্ভব হলে একাধিক বই পড়তে হবে। এতে প্রতিবার পড়ার সময় একবার করে রিভিসন হয়ে যাবে। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে “নেগেটিভ মার্কিং” রয়েছে, সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে।
লেখক: হুমায়ুন আহমেদ
ব্যবস্থাপনা বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

 

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এএম