[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে নারায়নগঞ্জের ১৪৮ স্কুল


প্রকাশিত: October 17, 2016 , 10:09 pm | বিভাগ: এক্সক্লুসিভ,ক্যাম্পাস,ঢাকার ক্যাম্পাস,স্কুল


n gonj+cl

তামিম চৌধুরী, নারায়নগঞ্জ: খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে নারায়নগঞ্জের ১৪৮ টি প্রাইমারী স্কুল। পড়াশুনা চলছে ঢিমেতালে। এ নিয়ে প্রতিদিন অভিভাবকদের সঙ্গে ঝগড়া লেগেই আছে। প্রধান শিক্ষক  চলছে এসব স্কুল। চলছে প্রতিদিনের নানান আয়োজন ও কর্মকান্ড। দেখার যেন কেউ নেই। নারায়ণগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকটে পুরো জেলা।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাগেছে জেলার ৪২৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪৮টি স্কুলেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। সহকারী শিক্ষকের ৭৭টি শূন্য পদসহ এ সংখ্যা ২২৫টি।

ফলে শিক্ষক সংকটে অনেক প্রাথমিক স্কুলেই শিক্ষাদান চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে সময় দিতে হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

যেসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, সেখানে একজন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম চলছে দুই থেকে তিনজন শিক্ষক দিয়ে, যেখানে দরকার ৫-৬ জন শিক্ষক।

শিক্ষকরা বলছেন, বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রায়ই উপজেলা সদরে যেতে হয়। এ সময় একজন শিক্ষককে একসঙ্গে তিনটি শ্রেণিতে পড়াতে হয়।

এতে করে পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ, প্রধান শিক্ষক প্রশাসনিক সব কাজ দেখভাল করে থাকেন। ওই পদটি শূন্য থাকায় ওই দায়িত্ব একজন সিনিয়র সহকারী শিক্ষককে পালন করতে হয়।

ফলে পাঠদানে শিক্ষকের অভাব দেখা দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সভা, প্রতিবেদন তৈরি ও দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। সহকারী শিক্ষকরা পাঠদান করেন।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে একজন শিক্ষককে একই সঙ্গে একাধিক শ্রেণিতে পাঠদান করতে হয়। একজন শিক্ষকের পক্ষে একসঙ্গে একাধিক ক্লাসে হাজির হয়ে সঠিকভাবে পাঠদান কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত শূন্যপদগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা মাহফুজা বেগম ক্যাম্পাসলাইভকে জানান, প্রধান শিক্ষকের অভাবে স্কুলগুলোতে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। উচ্চ আদালতে মামলার কারণে সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে।

এ কারণে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের অনেক পদ শূন্য থেকে যাচ্ছে। তবে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

 

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এএম