[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



বেরোবির ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন


প্রকাশিত: October 19, 2016 , 4:19 pm | বিভাগ: আপডেট,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,রংপুরের ক্যাম্পাস


BRUBI

বেরোবি লাইভ: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বুধবার সাকাল ১০.৩০ টায় বর্ণাঢ়্য আনন্দ র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসটি উদযাপনের নানা রকমের কার্যক্রম।

সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। বাদ্যের তালে তালে নানা রঙ্গের ব্যানার, ফেস্টুন, মুখোশ, বেলুনসহ নানা আয়োজনে শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে সকাল ১১ টায় জাতীয় সঙ্গিত গেয়ে পতাকা উত্তোলন করে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানোর মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনসংখ্যা বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. একেএম নূর-উন-নবী।

BRUBI1

পরে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় অনুষ্ঠানের প্রধান ও বিশেষ অতিথিদের। এরপর শুরু হয় আলোচনা সভা। উক্ত আলোচনা সভায় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নিত করতে সকলের সহায়তা কামনা করা হয়।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে বিভিন্ন সমস্যা কাটিয়ে ওঠে সমসাময়িক বিশ্ববিদ্যবিদ্যালয় গুলোর মধ্যে সম্ভাবনাময় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন আন্তর্জাতিক মানের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভিসি প্রফেসর ড. এ কে এম নূর-উন-নবী একথা বলেন।

BRUBI2

তিনি আরো বলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় জাতীয়ভাবে বিজয়ী হয়ে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরিসহ শিক্ষা সহায়ক প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ভিসি বলেন ‘রোকেয়ার আদর্শ ও দর্শনকে লালন করে ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে। বেগম রোকেয়ার অন্যতম একটি দর্শন হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষকে মূল ধারার সাথে সম্পৃক্ত করা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর (রোকেয়ার) দর্শনকে লালন করে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

BRUBI4

ইতিমধ্যে হরিজন, তৃতীয় লিঙ্গ (হিজরা) এবং বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীদের জন্য ভর্তির ক্ষেত্রে কোটা চালু করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সকলের সহযোগিতাসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়, প্রজনন ও শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতার, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাইদুল হক, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মোঃ ফেরদৌস রহমান ও ভিসির সহধর্মিনী মিসেস গুল নাহার নবী। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. নাজমুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর রংপুর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ক্যাম্পাসে তিনটি অনুষদের অধীনে ছয়টি বিভাগ নিয়ে ড. এম লুৎফর রহমানকে প্রথম ভিসি নিযুক্ত করে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু হয়। পরে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণ করেন।

এখন ছয়টি অনুষদের অধীনে ২১টি বিভাগে প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছেন। এখন ১৩৪ জন শিক্ষক ও ৬ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন এখানে।

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// আইএইচ