[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



সময়ের সেরা পছন্দ


প্রকাশিত: October 26, 2016 , 1:59 am | বিভাগ: অপিনিয়ন,প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি


pm+stamford

বেনজির আবরার: স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ফিল্ম এ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের অবদান রয়েছে নানাভাবে। এদেশীয় সংস্কৃতিকে অন্তরে ধারণ করে একঁঝাক গুণী মানুষের শিক্ষকতায় পরিপূর্ণ এ বিভাগটি।

সময়ের হিসেব করলে ১২বছর! এ অল্প সময়ে বিভাগের শিক্ষার্থীদের নানা অর্জনের খোঁজে কথা হয় অবাকই হয়ে উঠবেন পাঠক, চলুন জেনে নেই-

২০০৪ সালে প্রতিষ্টিত হওয়া বিভাগটি হাঁটি হাঁটি পা পা করে এবার এক যুগ পার করতে চলেছে।

এই অল্প সময়ের ভেতরেই বেশকিছু শিক্ষার্থী ডিপার্টমেন্ট তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে। গত বছরই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান পেয়েছে দুই প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ২৫ ব্যাচের মৃদুল মামুন পেয়েছে প্রামাণ্যচিত্র ‘আমার সোনার বাংলা’র জন্য, ৩৯ ব্যাচের শামিম আহমেদ পেয়েছে ‘নিপেন দারোগার একদিন’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য।

এ বছরেও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান পেয়েছে ৪৫ ব্যাচের মেহরাব জাহিদের কাহিনী ও চিত্রনাট্যে ৫০ ব্যাচের আবু সাইদ রাব্বির পরিচালনায় ‘ব্রাত্যজন’ চলচ্চিত্রটি।

বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থী ও বিডিইয়ুথের ক্যাম্পাসপ্রতিনিধি সঞ্চিতা সরকার বললেন, ” মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আহসান সারোয়ার নির্মিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘আমরা করবো জয়’ ও বেশ ব্যবসা সফল। হালের ব্যবসা সফল বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র মেন্টাল ও বসগিরির পরিচালক শামীম আহমেদ রনিও এই বিভাগেরই প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ৩য় বর্ষের অপর শিক্ষার্থী মারিয়া তুষারের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্রাস’ রয়েছে মুক্তির পথে।

অপর প্রাক্তন শিক্ষার্থী চন্দন রায় চৌধুরী শুধু সম্রাট চলচ্চিত্রের সিনেমাটোগ্রাফারই নন সেই সাথে অসংখ্য মিউজিক ভিডিওর চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা। জনপ্রিয় অভিনেত্রী জিনাত শানু স্বাগতা আমাদের এই বিভাগেরই কৃতি মুখ।”

প্রতি বছর ডিপার্টমেন্টের অসংখ্য শিক্ষার্থীর নির্মিত শর্টফিল্ম দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হচ্ছে ও পুরস্কার লাভ করছে। ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার এক বা একাধিক শিক্ষার্থী কর্মরত নেই বাংলাদেশে এমন টিভি চ্যানেল খুব কমই রয়েছে।

বিভাগে খবর নিয়ে জানা গেছে, এছাড়াও ডিপার্টমেন্টের প্রাক্তন ও বর্তমান অনেক শিক্ষার্থী নাটক ও বিজ্ঞাপন নির্মাণে মেধার পরিচয় দিচ্ছে। তাদের মধ্যে সহিদ উন নবী, ময়ূখ বারী, শিখর শাহনিয়াত, জাফর শ্রাবণ প্রমুখ রয়েছেন। দেশের অন্যতম মিউজিক ভিডিও নির্মাতা শুভব্রত সরকার ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার শিক্ষার্থী।

শেষবর্ষের শিক্ষার্থী সুব্রত পালের কাছে প্রশ্ন ছুড়েছিলাম, কেন পড়া যায় আপনার বিভাগে? উত্তরটাও এসেছে দারুণভাবে ” স্টামফোর্ডে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগ চালু হওয়ার আগ পর্যন্তও এদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ ছিল শুধুই গুরুমুখী শিক্ষা। গুরুমুখী চলচ্চিত্র নির্মাণ শিক্ষা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। যে ধারণা থেকে নতুনদের উত্তরণের পথ দেখায় আমাদের এই ডিপার্টমেন্ট।বিষয়ভিত্তিক যোগ্য শিক্ষকসহ, কয়েকজন চলচ্চিত্র নির্মাতা এ বিভাগে স্নাতক ও মাস্টার্স পর্যায়ে নিয়মিত শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন। যে কারণে নবীনদের চলচ্চিত্র নির্মাণে শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগ।”

আরেকটু চমকে দেই, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৪, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহন করেছেন স্টামফোর্ড ফিল্ম স্কুলের তিন তিনজন শিক্ষক!! তারা হলেন জাহিদুর রহিম অঞ্জন, মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও সাইম রানা।

ফিল্ম এ্যান্ড মিডিয়ার শিক্ষার্থী হিসেবে পড়তে চাইলে স্টামফোর্ডে সিদ্ধেশরী ক্যাম্পাসটা বোধহয় সময়ের সেরা পছন্দ হতেই পারে…

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর(ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএসটি