[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের জন্মদিন আজ


প্রকাশিত: November 4, 2016 , 9:38 pm | বিভাগ: শোবিজ


andro-kishor-1

শোবিজ লাইভ: গান নিয়েই সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন বাংলাদেশের প্লেব্যাক সম্রাট খ্যাত সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোর। বিশেষ করে প্লেব্যাকেই তার ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে কোন কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন জানতে চাইলে এ শিল্পী বলেন, সত্যি বলতে কী, যখন যে কাজ আসে তখন তা বুঝে শুনে ভালো ভাবে করার চেষ্টা করি।

যেমন এই মুহূর্তে কিছু মিক্সড অ্যালবামে কাজ করছি, কিছু সিনেমার গান করছি। তবে বড় যে কাজটির জন্য অপেক্ষা করছি সেটি হচ্ছে সৈয়দ শামসুল হকের রেখে যাওয়া চারটি গান। এ গানগুলো এখনো আমার হাতে আসেনি। এগুলোর সুর-সংগীতায়োজন করবেন আলম খান।

এই চারটি গান করতে পারলে আমার সংগীত জীবনের ক্যারিয়ারে উল্লেখ করার মতোই একটি বিষয় হবে বলে আমি মনে করি। সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় আছি আমি। এন্ড্রু কিশোর সর্বপ্রথম সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ও আলম খানের সুর সংগীতে মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘বড় ভালো লোক ছিল’ সিনেমায় ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস’ গানটি গেয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ‘চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা’ গানটিও ছিল এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে এবং সিনেমার জন্য এটিই ছিল সৈয়দ শামসুল হকের লেখা শেষ গান। বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর নিজেকে প্লেব্যাক সম্রাট ভাবতে বিব্রতবোধ করেন। তারচেয়ে নিজেকে কণ্ঠশ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।

এদিকে আজ এন্ড্রু কিশোরের জন্মদিন। আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ তারকা কখনোই জন্মদিনে বিশেষ কিছুই করেন না। যে কারণে যথারীতি এবারের এ দিনটিতেও কিছু করা হচ্ছে না। তবে পারিবারিক নিয়ম অনুযায়ী গতকাল রাত ১২টায় স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু ইতি, ছেলে জে এন্ড্রু সপ্তক ও মেয়ে মিনেম এন্ড্রু সংজ্ঞাকে সঙ্গে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন তিনি।

আর এরই মধ্য দিয়ে এন্ড্রুর এবারের জন্মদিনের শুভ প্রহর শুরু হয়। আজ রাতের খাবারটা এন্ড্রু কিশোরের মেয়ে সংজ্ঞা পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে খাওয়াবেন। কারণ, এরই মধ্যে এন্ড্রুকন্যা চাকরি জীবনে প্রবেশ করেছেন। ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত এন্ড্রু কিশোর। জন্মদিন প্রসঙ্গে এ তারকা বলেন, কখনোই আমি আমার জন্মদিনে বিশেষ কিছু করি না।

খুব ছোটবেলার কথা বলতে গেলে শুধু এতটুকুই বলতে পারি, আমার বাবা-মা দু’জনেই রাজশাহীতে হাসপাতালে চাকরি করতেন। তাদের উপার্জন ছিল খুব সীমিত। সেই সীমিত আয়ের মধ্য থেকেই বাবা-মা আমাকে জন্মদিন উপলক্ষে নতুন জামা কাপড় কিনে দিতেন। সেই জামা কাপড় পরেই জন্মদিন আমার অনেক আনন্দে কাটতো। আজকের দিনে সবার আশীর্বাদ কামনা করি যেন সব সময় সুস্থ থাকতে পারি, ভালো থাকতে পারি।

ঢাকা, ৪, নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// আইএইচ