[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



ঢাবি শিক্ষার্থী নির্যাতন: ক্ষমা চেয়ে ঘুষ ফেরত দিলেন এসআই


প্রকাশিত: November 5, 2016 , 8:30 pm | বিভাগ: আপডেট,ঢাকার ক্যাম্পাস,পাবলিক ইউনিভার্সিটি


DU-live

ঢাবি লাইভ: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিনা অপরাধে থানা হাজতে ২২ ঘণ্টা আটকে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের ছাত্র জাহাঙ্গীর আলমের ওপর নির্যাতন চালায় পুলিশের এএসআই তৌহিদুর রহমান। ঘটনা প্রকাশিত হলে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। গণমাধ্যমে এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জেলাব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের ওই কর্মকর্তা জাহাঙ্গীরের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া ছেলেকে ছাড়িয়ে নিতে তার বাবার কাছ থেকে নেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত দেন তৌহিদ। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এএসআই তৌহিদুর গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রথমে জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারকে ভয়ভীতিও দেখানো হয়। কিন্তু ওই ছাত্রের পরিবার শক্ত অবস্থানে থাকার কারণে পরে তেমন কোনো সুবিধা করতে না পেরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধরনা দিয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দিয়ে বিষয়টির সমাধান করেন।

এ ব্যাপারে ঢাবি শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বাবা মিরাজুল ইসলাম জানান, খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ওই পুলিশ কর্মকর্তা বিভিন্ন স্থানে দেনদরবার শুরু করেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে এমপি আনার সাহেবের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধান হয়। তিনি আমার ছেলের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ঘুষের টাকা ফেরত দিয়েছেন।

এ জন্য আমি মিডিয়া ও এমপি সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞ ও সন্তুষ্ট। জাহাঙ্গীর আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিষয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র ও কালীগঞ্জ উপজেলার কলেজ পাড়ার মিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পত্রিকা ব্যবসায়ী।

এদিকে ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমাদের এই বন্ধুকে যদি আজ ক্রস ফায়ারে দিয়ে মেরে ফেলতেন তাহলে ওই পুলিশ আজ কার কাছে ক্ষমা চাইতেন। হয়ত পুলিশ তার লাশটিও ফেরত দিতনা। বর্তমানে পুলিশের কিছু সদস্য ঢাবি ছাত্র দেখলে তাদের উপর নির্যাতন শুরু করে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাবি শিক্ষার্থীরা কখনোই অন্যায় মেন নেয়নি। তিনি ক্ষমা চেয়েছেন তার মানি ওই পুলিশ সদস্য অপরাধ করেছেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন করত্রপক্ষেরর উচিত দ্রুত ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে শাস্তি দেয়া। অন্যথায় পুলিশ সদস্যদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাবে।

ঢাকা, ৫, নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// আইএইচ