[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



ঢাবি: ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কক্ষ দখলের অভিযোগ


প্রকাশিত: November 6, 2016 , 9:38 pm | বিভাগ: আপডেট,ক্যাম্পাস,পাবলিক ইউনিভার্সিটি


 

sorjasen hall

ঢাবি লাইভ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলে বৈধ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। পরে ওই কক্ষগুলোতে নিজেদের কর্মীদের তুলে দিয়েছে তারা।

সংশ্লিস্টরা জানান, শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। দখলকৃত কক্ষগুলো হলো: ৪২৮, ৪৩৩, ৪৩৬, ৪৩৭, ৪৩৮, ৪৩৯, ৪৪১, ৪৪২ ও ৪৪৫। এ ঘটনার পর ওই কক্ষগুলোতে অবস্থানকারী অনেক শিক্ষার্থী হল ছেড়ে দিয়েছে। আবার অনেকেই নতুন কক্ষে উঠতে পারে নি। তবে এ সর্ম্পকে হল প্রশাসন অবগত নন বলে জানান হলের ভারপ্রাপ্ত প্রোভোস্ট ও সিট বরাদ্দ কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. বাহা উদ্দিন।

তিনি বলেন, হলে মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিবছর সিট নবায়ন করা হয়। এবারও সিট বরাদ্দের জন্য মেধার ভিত্তিতে তালিকা তৈরী করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হল প্রোভোস্ট দেশের বাইরে আছেন। তিনি আসলে তালিকা টাঙ্গিয়ে দেয়া হবে। এরপর কোন শিক্ষার্থী কক্ষে উঠতে না পারলে দায়িত্বরত আবাসিক শিক্ষক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

হল সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে দখলকৃত দশটি কক্ষে গিয়ে কক্ষ ছেড়ে দেয়ার জন্য আল্টিমেটাম দেয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি আবিদ আল হাসানের কথা বলে তাদের কক্ষ ছেড়ে দিতে বলে। পরের দিন শনিবার শিক্ষার্থীরা কক্ষগুলো ছেড়ে দেয়।

হলের চার তলার মাঝখানের ব্লকের এই কক্ষগুলোর সব কয়টিই ডাবল সিটের। প্রতিটি কক্ষে তৃতীয় বর্ষ থেকে শুরু করে মার্স্টাস পর্যন্ত ৫/৬জন করে শিক্ষার্থী অবস্থান করতো। পরে ছাত্রলীগ কক্ষগুলো দখলে নিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের তুলে দেয়। এদিকে বের করে দেয়া শিক্ষার্থীদের যারা কোন কক্ষে উঠতে পারেনি তাদের অধিকাংশ হল ছেড়ে চলে গেছেন।

এ ঘটনায় হলের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, কক্ষে এসে বললো ছেড়ে দিতে হবে। আমরা কক্ষ ছেড়ে দেই। হল প্রশাসন থাকলেও তা নামমাত্র। তাদের কোন ক্ষমতা নাই। নেতারা যা বলে তাই হয়।

তবে কক্ষ দখলের কথা অস্বীকার করেন হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। তিনি বলেন, কাউকে বের করে দেয়া হয়নি। অন্য কক্ষে রিপ্লেস করা হয়েছে। এরকম পাঁচটি কক্ষে (৪২৮,৪৩৩,৪৩৬,৪৩৭,৪৪৭) করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। রিপ্লেস করার ক্ষমতা আপনার আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো পলিটিক্যাল কক্ষ। তাই রিপ্লেস করা হয়েছে। হল প্রশাসন থেকে আলাদা করে পলিটিক্যাল কক্ষ বরাদ্দ দেয়া হয় কিনা জানতে চাইলে ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, না তা নেই। তবে আমাদের সঙ্গে যারা রাজনীতি করে তারা কক্ষগুলো বরাদ্দ নেয়।

পরে আমরা সুবিধা মত রিপ্লেস করি। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান বলেন, এধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকলে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

ঢাকা, ৬, নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এএম