[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



আমীর আলী হলের খাবার না হলে ঘুম হয় না রাবি শিক্ষার্থীদের


প্রকাশিত: May 4, 2014 , 10:01 am | বিভাগ: ফিচার


মনিরুল ইসলাম নাঈম, রাবি: আজ ইলিশ মাছের তরকারিটা অনেক ভালো হয়েছে রে, না মুরগীর মাংসটাও দারুণ বুঝলি। দুপুরে খাওয়ার সময় এমন কথা প্রতিনিয়তই শোনা যায়। আমীর আলী হলের ডাইনিং রুমে।

অন্য হল থেকে খেতে আশা শিক্ষার্থীরা তরকারি নিয়ে এমন আলোচনা করে। তাদের সাথে কথা বলেই জানতে পারলাম অন্যান্য হলের তুলনায় এ হলের খাবারের মান অন্যরকম।
দুপুর বেলায় ইলিশ মাছের ঝোল, সোরোয়া পুঁঠি ভাজা, আর গোটা মুরগির ডিম, রাতের বেলায় ডিম ভাজি, কাঁচা মরিচের আলু ভর্তা, সালাদ, মুরগীর মাংস দিয়ে সৈয়দ আমীর আলী হলের ডাইনিং এ খাবার  পরিবেশন করা হয়। ভালো খাবার পরিবেশন করার ফলে শিক্ষার্থীরা যেমন পাচ্ছে তৃপ্তি তেমন পাচ্ছে আনন্দ। যেন মনে হয়, এ হলের খাবার না খেলে ঘুমই আসে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের।

হলসূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের খাবার যাতে সঠিকভাবে পরিবেশন করা হয় সে জন্য এ হলে একটি ক্যান্টিনসহ আরো দুটি ডাইনিংয়ের ব্যাবস্থা চালু রাখা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যান্টিন বন্ধ রাখা হলেও ডাইনিং দুটি চলছে ভালোভাবে। এ হলে প্রায় চার শতাধিকেরও বেশী শিক্ষার্থী পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে।

এসব শিক্ষার্থীরা নিজে রান্না করে খেলেও দিনে অন্তত একবার এ  হলের খাবার তাদের খেতেই হবে। না খেলে যেন তাদের মনে তৃপ্তির জায়গাটা শূন্যতা থেকেই যায়।  কেবলমাত্র এ হলের  শিক্ষার্থীরা এ খাবার খেয়ে থাকে এমনটি নয় ; দুপুর আর রাত্রের বেলায় খাবারের জন্য ছুটে আসে ক্যাম্পাসের  বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষর্থীরা ।

এছাড়া এ হলে খাবারের জন্য পিঁপঁড়ের মতো লাইন ধরতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ম্যচের শিক্ষার্থীরা।      

এদিকে, কেবল শিক্ষার্থীরা খাবার খেয়ে থাকে না, সাথে আবার বাড়তি ভিড় জমাতে থাকে আশে পাশের খেটে খাওয়া দিন মজুরেরা।

বিভিন্ন হলে ও আশে পাশের একাধিক শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ক্যম্পাসে থাকা অবস্থায় যেখানেই থাকি না কেন, দিনে না হলেও কম পক্ষে একবার সৈয়দ আমীর আলী হলের খাবার খেতেই হবে। কারণ অন্যান্য হলের তুলনায় এ হলের খাবারের মান অনেক ভাল। আর  সে জন্যই এখানে খাবার খেতে সবাই ছুটে আসে।

তবে ইদানিং বাহির থেকে শিক্ষার্থীদের আগমন একটু বেশী হবার কারণে খাবার পাচ্ছে না হলের শিক্ষার্থীরা। ফলে দেখা যাচ্ছে  এখানকার শিক্ষার্থীদের বাহিরে গিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে।

খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে হাশমত আলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সবাইকে সুন্দর মানের খাবার পরিবেশন করাই তাদের একান্ত কর্তব্য। ফলে এখানে আমারা অনেক ভালো খাবার দেয়ার চেষ্টা করে থাকি। আর এ জন্যই এখানে শিক্ষার্থীদের একটু হলেও ভিড় বেশী হয়ে থাকে।

রাবি//এমএন,  ৪ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআর