[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



জবির নিখোঁজ ছাত্র উদ্ধারের নাটক!


প্রকাশিত: August 14, 2014 , 12:20 am | বিভাগ: ক্যাম্পাস,ঢাকার ক্যাম্পাস,পাবলিক ইউনিভার্সিটি


লাইভ প্রতিবেদক: নীলফামারীর ডিমলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিখোঁজ মেধাবী ছাত্র মাহমুদুল হাসান মন্টুর সন্ধান  ও উদ্ধারের নাটক নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এনিয়ে পটুয়াখালীর বাউফল ও নীলফামারীর ডিমলা থানা পুলিশ দিনভর ছুটাছুটি করেছে। পরে বিষয়টি ভূয়া প্রমাণিত হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সোয়া আটটায় ডিমলা থানা থেকে (০১৭১৩-৩৭৩৯১৪ ও ০১৯৫৩-৫৬৮১৫২) একটি কল আসে। ওই নম্বর থেকে জানানো হয় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কিশোবপুর ইউনিয়নের কালীবাড়ী গ্রামের চান মিয়ার ছেলে জামাল মিয়া চৌকিদার পরিচয় দিয়ে নীলফামারীর ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হারেছুল ইসলামকে ফোন দেন।

এতে তিনি জানান, মাহমুদুল হাসান (মন্টু) নামে একজনকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। ছেলেটির শার্টের পকেটে থাকা একটি কাগজে ডিমলা থানার মোবাইল নম্বরটি ও তার নাম ঠিকানা লেখা ছিল বলে উক্ত সংবাদদাতা দাবি করেন।

এ খবর পাওয়ার পর ডিমলা থানার ওসি উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের প্রদিপ কুমার নামে এক ইউপি সদস্যের মাধ্যমে নিখোঁজ ছাত্রের পরিবারকে সংবাদটি জানান। এ সংবাদ শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকসহ লোকজন থানায় ছুটে এসে সংবাদাতা জামাল মিয়া চৌকিদারের উক্ত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।

এসময় চৌকিদার জানান, ছেলেটিকে আমার বাড়িতে সেলাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। এখনও সে কথা বলছে। তাৎক্ষনিক বিষয়টি ঢাকার পল্লবী ও বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জকে অবগত করে সংবাদদাতার মোবাইল ফোন নম্বরটি সরবরাহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানানো হয়।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ সংবাদদাতার ০১৯৫৩-৫৬৮১৫২ নম্বরের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার পরে জানান, জামাল মিয়া চৌকিদারের সাথে মোবাইলে কথা হয়েছে। আমি ছেলেটিকে থানায় নিয়ে আসার জন্য বলেছি। আপনাদের লোকজনকে তাড়াতাড়ি আমার থানায় পাঠিয়ে দেন।

এর প্রায় ৩ ঘন্টা পরে বাউফলের ওসি জানান, কথিত সংবাদদাতা জামাল মিয়া চৌকিদারের দেয়া তথ্যটি সত্য নয় এবং এ নামে কোন ব্যাক্তি বা গ্রাম অত্র থানা এলাকায় নেই। লোকটি প্রতারণা করার জন্য এমন একটি নাটক সাজিয়ে অভিভাবকদের কাছে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করেছে মাত্র। এ ব্যাপারে নিখোঁজ ছাত্রটির পিতা আবুল হোসেন মঙ্গলবার সন্ধায় ডিমলা থানায় একটি জিডি করেন।

তিনি তাঁর জিডিতে কয়েকটি মোবাইল ফোন নম্বর উল্লেখ করে বলেন, এসব মোবাইল ফোনের প্রকৃত সন্ধান বের করতে পারলেই তার পুত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে দাবি করেন।

উল্লেখ্য, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মধ্যম সুন্দর খাতা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আবুল হোসেনের পুত্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানে মাষ্টার্স শেষ বর্ষের মেধাবী ছাত্র মাহমুদুল হাসান (মন্টু) ২০ জুলাই থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

ঢাকা, ১৪ আগষ্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন