[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



খুমেক ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ : নেপথ্যে কোচিং ব্যবসা


প্রকাশিত: November 4, 2014 , 11:32 pm | বিভাগ: খুলনার ক্যাম্পাস,মেডিকেল কলেজ


Khulna-Medical-Collegeখুলনা লাইভ : খুলনা মেডিক্যাল কলেজে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে থ্রি ডক্টরস একাডেমি খুলনা শাখার পরিচালক এবং খুমেক ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ডা. তারিনসহ ছাত্রলীগের ৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বর্তমানে তারা খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টায় মেডিক্যাল কলেজের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন হলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কলেজ ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি আসিফ ও সদ্য বিদায়ী সভাপতি রাকিবের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

জানা যায়, সম্প্রতি খুমেক ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষিত হয়। কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পান কলেজের কে-১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী আসিফ।

অন্যদিকে সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন কলেজের কে-১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাকিব।

এই দুই সভাপতির অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। গত দুই মাস আগেও ওই দুই বিবদমান গ্রুপের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে বিদায়ী সভাপতি রাকিব ছিলেন খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের পরিচালক ডা. তারিনের আস্থা ভাজন। একই কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ সভাপতি হওয়ায় তারিন প্রায়শই ক্যাম্পাসে আসতেন। তিনি রাকিব ও তার অনুসারীদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করতেন বলেও জানা গেছে।

কলেজ ছাত্রলীগের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারিন রাকিবের মাধ্যমে ছাত্রলীগের একাংশকে নিয়ন্ত্রণ করতো। তিনি রাকিবকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতাও করতেন। বিনিময়ে তিনি ছাত্রলীগকে কাজে লাগিয়ে কোচিংয়ের পরিচালনা, প্রচারণা এবং শিক্ষার্থী সংগ্রহের কাজ করতেন। আর এক্ষেত্রে রাকিব তাকে সহায়তা করতেন। অনেক সময় ছাত্রলীগ কর্মীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেও তার কোচিংয়ের কাজে শ্রম দিতে হত বলেও ভিযোগ রয়েছে।

এসব বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছিলো।

মঙ্গলবার রাতে তারিন ক্যাম্পাসে আসলে নতুন কমিটির সভাপতি পক্ষের নেতাকর্মীরা তাকে আটকানোর চেষ্টা করে। এসময় তাদের সঙ্গে তারিন, রাকিবের বাকবিতণ্ডা হয়। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে রাকিব ও আসিফ পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এসময় ডা. তারিনসহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়।

বর্তমানে তারা খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি আসিফ এবং সদ্য বিদায়ী সভাপতি রাকিবের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে তারা দু’জনই আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যাস্ত থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন।

খুলনা, ৪ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// টিটি