[english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ



যেভাবে হত্যা করা হয় রাবি শিক্ষককে


প্রকাশিত: November 23, 2014 , 7:39 pm | বিভাগ: এক্সক্লুসিভ,পাবলিক ইউনিভার্সিটি,রাজশাহীর ক্যাম্পাস


লাইভ প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. শফিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছে যুবদলের নেতাকর্মীরা।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছে আটক যুবদলের ৬ নেতাকর্মী।

রোববার র‌্যাব  সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এ তথ্য জানান।

জানা যায়, ঘটনার কিছু দিন পূর্বে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মোঃ আবদুস সামাদ ওরফে পিন্টুর স্ত্রী নাসরিনের (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত) সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন নিহত শিক্ষক।

এ নিয়ে পিন্টুর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে পিন্টু কথা কাটাকাটির বিষয়টি নিয়ে জেলা যুবদলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জলের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

উজ্জল বিষয়টি নিয়ে ড. শফিউলের সঙ্গে কথা বলেন। এ নিয়ে প্রশাসনিক এলাকাতেই তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এসময় উজ্জল অপমানিত বোধ করেন এবং উক্ত শিক্ষককে শায়েস্তা করার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী উজ্জল ও পিন্টু কাটাখালি পৌরসভার যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিককে ড. শফিউল ইসলামকে শায়েস্তা করার দায়িত্ব দেয়।

এই প্রেক্ষিতে মানিক হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল সংগ্রহ করে। তাদের কিলিং মিশনে অংশ নেয় মোট ১১ জন। এর মধ্যে ৬জন শনিবার রাতে র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছে।

তারা হলেন- আবদুস সামাদ ওরফে পিন্টু (৩৪), আরিফুল ইসলাম ওরফে মানিক (৩৩), সবুজ শেখ (১৮), সিরাজুল ইসলাম ওরফে কালু (২২), আল মামুন (৩১) ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে টোকাই বাবু (২১)।

আটক পিন্টু জানায়, রাবি শিক্ষককে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না তাদের। তাকে শায়েস্তা করাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু কিলিং মিশনে অংশ নেয়া সবুজ ড. শফিউলের মাথায় চাপাতি দিয়ে কোপ দেয়ায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এসময় কিলিং মিশনে অংশ নেয়া বাকি সদস্যরা ড. শফিউলের নিম্নাংশে আঘাত করে। এভাবেই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন পিন্টু।

ঢাকা, ২৩ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)// এআর